ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

চাচাতো-খালাতো-মামাতো বোনকে বিয়ে করলে কী হয়, গবেষকদের সতর্কবার্তা

জীবনযাপন ডেস্ক

জীবনযাপন ডেস্ক

জুন ১, ২০২৬, ০২:১৪ পিএম

চাচাতো-খালাতো-মামাতো বোনকে বিয়ে করলে কী হয়, গবেষকদের সতর্কবার্তা
চাচাতো বা খালাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে বিশ্বের অনেক সমাজেই দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি। ছবি: সংগৃহীত

পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় রাখা, সম্পদ ধরে রাখা কিংবা সামাজিক রীতিনীতির কারণে চাচাতো, মামাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাইবোনের (ফার্স্ট কাজিন) মধ্যে বিয়ের প্রচলন পৃথিবীর বহু সমাজেই বেশ পুরনো। 

তবে সাম্প্রতিক সময়ের চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বিভিন্ন গবেষণা এই ধরনের বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ের এই পারিবারিক সিদ্ধান্তটি সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে অনাগত সন্তানের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর।

যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড শহরে পরিচালিত 'বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড' নামের একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় এই বিষয়ে কিছু উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রায় ১৩ হাজার শিশুর ওপর করা এই গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তের সম্পর্ক রয়েছে এমন দম্পতিদের সন্তানদের ক্ষেত্রে জিনগত বা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মানোর আশঙ্কা সাধারণের চেয়ে দ্বিগুণ। 

চিকিৎসকদের মতে, সাধারণ দম্পতিদের ক্ষেত্রে যেখানে এই ঝুঁকি প্রায় ৩ শতাংশ, সেখানে ফার্স্ট কাজিনদের ক্ষেত্রে তা বেড়ে প্রায় ৬ শতাংশে দাঁড়ায়।

বংশগত রোগের মূল কারণ হলো মা ও বাবা উভয়ের শরীর থেকে একই ধরনের ত্রুটিপূর্ণ জিনের সন্তানের শরীরে প্রবেশ করা। যেহেতু কাজিনদের পূর্বপুরুষ একই, তাই তাদের মধ্যে একই ধরনের জিনগত ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। 

তবে গবেষকরা এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, কাজিনদের বিয়ে করলেই সব সন্তান অসুস্থ হবে এমন নয়; অনেক পরিবারেই সম্পূর্ণ সুস্থ-সবল শিশু জন্ম নিচ্ছে।

সমস্যার গভীরতা শুধু রক্তের সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে ‘এন্ডোগামি’ বা সমগোত্রীয় বিবাহ প্রথাও বড় ভূমিকা রাখে। যখন একটি নির্দিষ্ট জাতি বা ক্ষুদ্র গোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিজেদের মধ্যেই বিয়ের রীতি ধরে রাখে, তখন রক্তের সরাসরি সম্পর্ক না থাকলেও জিনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। 

এই ঝুঁকির কারণে ইউরোপের নরওয়েতে ইতিমধ্যেই কাজিনদের মধ্যে বিয়ে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সুইডেনও একই পথে হাঁটছে।

যুক্তরাজ্য অবশ্য আইনগত নিষেধাজ্ঞার চেয়ে সচেতনতা ও ‘জেনেটিক কাউন্সেলিং’ বা বিয়ের আগে জিন পরীক্ষার ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। এদিকে আধুনিক শিক্ষা ও সচেতনতার প্রভাবে নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের ভাবনাতেও বড় পরিবর্তন আসছে। 

তারা এখন পারিবারিক ঐতিহ্যের চেয়ে ব্যক্তিগত বোঝাপড়া ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের সতর্কতা বিবেচনা করে আত্মীয়দের বাইরে জীবনসঙ্গী বাছতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

সূত্র: বিবিসি 

এএন

Link copied!