আমার সংবাদ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে বুধবার এভিয়েশন ফায়ার ফাইটিং বিষয়ক ৯০ দিনব্যাপী ক্রাশ ফায়ার অ্যান্ড রেস্কিউ (সিএফআর) বেসিক কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। কোর্সটি গত ০৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে শুরু হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত হয়।
ফায়ার ফাইটিং বিষয়ক এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা। প্রশিক্ষণার্থীরা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা বা আইসিএও-এর মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বিমান চলাচলে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সকল বিমানবন্দরে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলেই এ প্রশিক্ষণের সার্থকতা পূর্ণতা পাবে। বিশেষ অতিথি পরিচালক (ফায়ার) এ এস এম খালেদ বলেন, আইসিএও মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দর পরিচালনা এবং বিমানবন্দর জরুরি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা, বাস্তব চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। উক্ত কোর্সটি বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
এটি আইসিএও-এর বৈশ্বিক এভিয়েশন জরুরি পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বিমান চলাচল খাতে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। এ কোর্সে সংস্থার ফায়ার বিভাগে কর্মরত ৫ জন অগ্নি নির্বাপন কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণার্থীরা গত পাঁচ মাসে অগ্নি নির্বাপন মহড়া, ফায়ার টেন্ডার পরিচালনা ও উদ্ধার কার্যক্রমসহ তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিভিন্ন মডিউলে অংশ নেন। এটি বিমানবন্দরে যেকোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ডজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাঁদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জেএইজআর