community-bank-bangladesh
Amar Sangbad
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪,

বঙ্গবন্ধুর মৌখিক বরাদ্দের গুজব

বাংলাদেশ ব্যাংকের মাঠ দখলে ব্রাদার্সের কূটচাল

রেদওয়ানুল হক

মে ২৮, ২০২৩, ১২:২৯ এএম


বাংলাদেশ ব্যাংকের মাঠ দখলে ব্রাদার্সের কূটচাল

* সরকারি নথিপত্রে মাঠের প্রকৃত মালিক বাংলাদেশ ব্যাংক, চুক্তি ভঙ্গ করছে ব্রাদার্স
* বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে মাঠ ভাড়া দেয়ার অভিযোগ ক্লাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে
* সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে বসে মাদকের আসর, ছিনতাইকারী চক্রের আস্তানা

বাংলাদেশ ব্যাংকের মাঠ দখলে নিতে ব্রাদার্স ইউনিয়নের কূটচালে হতবাক সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের অনুরোধে এবং দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের স্বার্থে ক্লাবটিকে নিজস্ব মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে বিপাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রাষ্ট্রের এ সম্পদটি কয়েক দফা দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বলছেন মৌখিক বরাদ্দের কথা; তবে নেই কোনো প্রমাণ। একই সঙ্গে বাংলদেশ ব্যাংককে ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে চালাচ্ছে নেতিবাচক প্রচারণা। তবে সরকারি নথিপত্র, বাংলাদেশ ব্যাংকের দলিলপত্র ও সিটি কর্পোরেশনের খাজনার তথ্য সবই বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে। তবুও নিজ সম্পত্তিতেই শক্তিহীন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানটি।

ব্রাদার্স ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে ভূমিদস্যু হিসেবে প্রচার করা হলেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ বিপরীত। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ক্লাবটির কূটচালের নানা তথ্য। নথিপত্র বলছে, জমির প্রকৃত মালিক কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নথিপত্রেও মাঠের জায়গাটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নামেই রয়েছে। নিজস্ব কোনো মাঠ না থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতাদের অনুরোধে মাঠ ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছিল ব্রাদার্স। সরকারি নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় মোট ১১ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আর কে মিশন রোড সংলগ্ন ৩৮০, ৩৮৮, ৩৮৯ এবং ৩৯০ নং প্লটগুলো এর অংশ। অর্থাৎ বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মচারী নিবাসের পাশে যে মাঠটি রয়েছে তা সরকার কর্তৃক বরাদ্দ দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের জমি। সরকারের সঙ্গে চুক্তির শর্ত হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এককালীন দুই লাখ ৯৯ হাজার ৫৮৬ টাকা ৬৪ পয়সা পরিশোধ করেছে। এরপর প্রাথমিকভাবে প্রতি বছর ১৫ হাজার ৪১১ টাকা এবং পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত হারে খাজনা পরিশোধ করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম আমার সংবাদকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মাঠ এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। মাঠের সব কাগজপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের নামে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিয়মিত খাজনা দেয়া হচ্ছে। ব্রাদার্স ইউনিয়ন অনুমতি নিয়ে মাঠটি ব্যবহার করছে। এখন যদি তারা বাংলাদেশ ব্যাংককেই ভূমিদস্যু বলে তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

এদিকে নিজ ক্লাবের প্রাক্টিসের জন্য অনুমতি পেলেও ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বাণিজ্যিক স্বার্থে মাঠ ব্যবহারের। এ ছাড়া সন্ধ্যা নামতেই মাঠে বসছে মাদকের আড্ডা। তদারকি না থাকায় প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাঠের অবকাঠামো। নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং মাদকের বিস্তার রোধে লাইট স্থাপনের কাজেও বাধা দিচ্ছে ক্লাবটি। সংস্কারের নামে খেলাধুলা বন্ধের কথা বলে স্থানীয় লোকজনকে উসকে দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের শরীরচর্চার সুবিধার্থে গত মাসের প্রথম দিকে মাঠের চারপাশে ওয়াকওয়ে তৈরির কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বাধা সৃষ্টি করে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। তারা দাবি করে, কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ মাঠ দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। খেলাধুলা বন্ধ করতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; এমন প্রচারণা চালিয়ে স্থানীয়দের উসকে দেয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংককে ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে ছাপানো হয়েছে ব্যানার। বিভিন্ন গণমাধ্যমের ক্রীড়া সাংবাদিকদের ডেকে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব দখলের পাঁয়তারা হচ্ছে এমন তথ্য দেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহী। তিনি দাবি করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মৌখিকভাবে মাঠ বরাদ্দ দিয়েছেন ব্রাদার্সকে। যদিও এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই তার কাছে। কয়েকটি গণ্যমাধ্যমে এ খবর ফলাও করে প্রচারের ব্যবস্থা করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। 

আমার সংবাদের হাতে থাকা নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ জুলাই ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেডের পরিচালক মো. আমিন খান মাঠে দুটি ক্রিকেট পিচ (টার্ফ) নির্মাণের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পিচ তৈরির জন্য সাময়িক অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সময়  কিছু শর্ত দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ক্রিকেট পিচ দুটি ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ক্লাব ব্যবহার করবে। তবে কোনো প্রকার বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা যাবে না। মাঠে ক্লাবটির কার্যক্রম সম্পর্কে ছয় মাস অন্তর ব্যাংককে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। একই সাথে জানিয়ে দেয়া হয়— এই অনুমতি বাংলাদেশ ব্যাংক যেকোনো সময় বাতিল করতে পারবে। একই চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সিদ্ধান্তের কথাও জানায় ক্লাবটিকে। তা হলো— ‘মাঠের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে মাঠের চারদিকে হাঁটার পথ নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ এবং সেখানে পর্যাপ্ত আলো সরবরাহ নিশ্চিতকরণার্থে বাতি স্থাপন করার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’ অর্থাৎ ওয়াকওয়ে নির্মাণের বিষয়টি আগে থেকেই ব্রাদার্সকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা এ নিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে। এর আগে ২০০৫ সালে মাঠটি দখলের চেষ্টা করে ব্রাদার্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের অগোচরে মাঠের পশ্চিমাংশের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। তখন ব্যাংকের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হলে প্রভাবশালীদের সহায়তায় সমঝোতা চুক্তি করে ব্রাদার্স। ২০০৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের তৃতীয় তলার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ওই সভায় মাঠ ব্যবহারের জন্য ব্রাদার্স ইউনিয়নকে বেশ কয়েকটি শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। ব্রাদার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে এক নম্বর শর্ত ছিল— মাঠের পশ্চিম দিকের দক্ষিণ অংশের বাউন্ডারি ওয়াল পুনঃনির্মাণ করবে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ২নং শর্তে বলা হয়— মাঠে কোনো প্রকার উন্নয়ন বা সংস্কারকাজ করতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমতি নিতে হবে। ৪নং শর্তে বলা হয়েছিল— ব্রাদার্স ইউনিয়ন কর্তৃক মাঠ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মালিকানা, নিরাপত্তা, আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অবিকৃত থাকবে। সমঝোতা চুক্তিতে মাঠের পূর্বপাশের গাছ কাটা ও পশ্চিম দিকের দক্ষিণ অংশের প্রাচীর ভাঙার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত যাবতীয় আইনি পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু শর্তগুলো যথাযথ পালন করছে না ব্রাদার্স।

সরেজমিন দেখা যায়, মাঠের গেটে নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাইনবোর্ড ও কোনো নিরাপত্তাকর্মী। এই সুযোগে সন্ধ্যার পরই বসছে মাদকের আসর। মাঠের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে চলছে ‘লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব’ নামে আরেকটি ক্লাব। স্থানীয়রা বলছেন, এতদিন তারা জানতেনই না মাঠটি বাংলাদেশ ব্যাংকের; কারণ ব্রাদার্স ইউনিয়ন নিজেদের মাঠ হিসেবে এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে আসছে। নাম প্রকাশ না করে স্থানীয় এক দোকানি জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে প্রায়ই মাঠ ভাড়া দেয় ব্রাদার্স। সন্ধ্যার পর মাদক ও ছিনতাইকারীদের আড্ডা বসে। লাইটের ব্যবস্থা না থাকায় ভুতুড়ে অবস্থার সুযোগে ঘটে নানা অপরাধ। স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল আমার সংবাদকে বলেন, ‘এই মাঠের কোনো শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাঠের এমন দুরবস্থা কারোই কাম্য নয়। আমরা অবশ্যই চাই মাঠে খেলার ব্যবস্থা থাকুক। পাশাপাশি বয়ষ্কদের হাঁটাচলা ও ব্যায়ামের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত খুবই চমৎকার। মাঠের সৌন্দর্যবর্ধনও জরুরি। ব্রাদার্স অসৎ উদ্দেশেই এর বিরোধিতা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের সম্পত্তি কেউ দখল করুক এটি আমরা কেউ চাই না।’ নিজস্ব সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও মাঠের সামনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাইনবোর্ড না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেন স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আব্দুর রহমান। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহী আমার সংবাদকে বলেন, ‘চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করলে মাঠের আয়তন কমে যাবে। এ ছাড়া খেলোয়াড়রা আহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, তাই আমরা বাধা দিয়েছি। পরবর্তীতে এটি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আমাদের প্রস্তাবনা লিখিত আকারে তুলে ধরতে বলেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আমরা অনুরোধ করেছি যাতে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা না হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে সীমানা প্রাচীরের উপরে লাইটিং করতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণার বিষয়ে তিনি বলেন, এর সঙ্গে ব্রাদার্স ইউনিয়ন জড়িত নয়। স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যানার ছাপিয়েছিল, ইউনিয়নের হস্তক্ষেপে তা সরিয়ে নেয়া হয়।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পত্তি ব্রাদার্স ইউনিয়ন দখল করে রেখেছে কি-না এমন প্রশ্নে মহিউদ্দিন বলেন, ‘দখল নয়, চুক্তির আওতায় মাঠটি ব্যবহার করছি।’ বঙ্গবন্ধুর মৌখিক বরাদ্দ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার কাছে এর কোনো দলিপত্র নেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক আমার সংবাদকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজ শুরু করা হলে বাধা দেয় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা তাদেরকে ডেকে কথা বলেছি। আশা করি ভবিষ্যতে ব্রাদার্স এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণার বিষয়েও আমরা পত্রপত্রিকায় দেখেছি; বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’ ব্রাদার্স ইউনিয়নের এমন আচরণে চটেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান ও সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তারা। সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পদ সম্পূর্ণ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। শিগগিরই এটি দখলমুক্ত করতে হবে।’ এ বিষয়ে সাবেক গভর্নর ফরাস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গভর্নর থাকাকালীন যে কয়েকটি কাজ আমি করে যেতে পারিনি তার মধ্যে অন্যতম ব্রাদার্স ইউনিয়নের কাছ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাঠ উদ্ধার করতে না পারা।’ তিনি বলেন, ‘মাঠ উদ্ধারের জন্য তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও বিএনপির ক্রীড়াবিষয়ক মুখপাত্র সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে বৈঠক করেছি। কিন্তু অদৃশ্য ইশারায় তারা আশ্বাস দিয়েও সহযোগিতা করেননি।’

গত রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পদগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের আবাসিক নিবাস অর্থাৎ কলোনিগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংকের ভবনগুলোর সংস্কারকাজও চলছে।’

 

Link copied!