ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

তরিক মৃধার কণ্ঠে এবার ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’

বিনোদন প্রতিবেদক

বিনোদন প্রতিবেদক

অক্টোবর ২১, ২০২২, ০১:১২ এএম

তরিক মৃধার কণ্ঠে এবার ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী, সুরকার রুনা লায়লার কণ্ঠে ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ গানটি বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের গানপ্রেমী মানুষরা শোনেননি— এমনটা খুঁজে পাওয়া বিরল।

জানা যায়, পাকিস্তান আমলে (৫০-৬০ দশকে) সিন্ধু অঞ্চলের জামশোর জেলার সেহওয়ান নামক একটি গ্রামে ওসমান মারিন্দির মাজার ছিল। অনেকটা লালনের মতো। আধ্যাত্মিক গানের চর্চার জন্য জায়গাটা এখনো বিখ্যাত।

একদিন সেখানে মরুভূমির মধ্য থেকে উঠে এসে এক জিপসি বালিকা একটি উর্দু গান (পাঞ্জাবি বুনিয়াদি গান) গাইল আর রেডিও পাকিস্তান গানটি ধারণ করে রাখল। বালিকাটি যেভাবে সহসা এলো, তেমনি সহসাই গায়েবও হয়ে গেলো। বাকিটা ইতিহাস। গানটা হিট হয়ে গেলো। বহু বছর পার হয়ে গেছে।

পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশের বহু গায়ক-গায়িকাই গানটি গেয়েছেন। কিন্তু সেই জিপসি বালিকাটির পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায়নি আর। তবে এতটুকু জানা যায়, বালিকাটি যে জিপসি বা বানজারান সম্প্রদায়ের অন্তর্গত, তারা রাজস্থান ও গুজরাটের ফোক গানে অনেক অবদান রেখেছে ও রেখে চলেছে।

গানটির রচয়িতার নাম বা রচনাকাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যায়নি, তবে এটি সিন্ধু অঞ্চলের সুফি লালবাবা শাহবাজ কালান্দার তথা সৈয়দ মুহাম্মদ উসমান মারওয়ান্দির (১১৪৯-১২৭৪) সম্মানে রচিত।

যদিও বলা হয়ে থাকে, এই কাওয়ালিটি আমির খসরুর মূল প্রার্থনা থেকে নেয়া, যেটি পরবর্তীতে বুল্লেহ শাহ পরিমার্জন করেন এবং তাতে তার পীর লালবাবা শাহবাজ কালান্দারের  স্তূতি যোগ করেন। সেই বিখ্যাত গান ‘দমাদম মাস্ত কালান্দা’র এবার গাইলেন এ প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তরিক মৃধা। তরিক বলেন, ‘বলা যায় এই কাজটি অনেকটা সাহস নিয়েই করা।

এক্সপেরিমেন্ট করতে আমার বরাবরই ভালো লাগে। যেহেতু এই গানটি সারা বিশ্বেই ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। তাছাড়া সুফি গান করেন— পৃথিবী বিখ্যাত এমনসব শিল্পীই বলা যায় তাদের নিজস্ব একটি ভার্সন রাখেন এই গানটির। আমিও একজন ক্ষুদ্র শিল্পী, ইচ্ছা ছিল এই গানটি একটু অন্যরকম আয়োজন করার।

অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ করলেন এমএ রহমান ভাই এবং ফোকবাজ প্রজেক্ট। আমরা দীর্ঘদিন সময় নিয়ে গানটির সংগীতায়োজন করেছি। এই গানের বেশ কিছু একুইস্টিক আমরা মুম্বাই থেকে বাজিয়ে এনেছি।

আমাদের চেষ্টা ছিল শতভাগ যেন মানুষের এতটা প্রিয় গান যেন নষ্ট না হয়। রুনা লায়লা ম্যাডাম গানটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তার প্রতি অসীম শ্রদ্ধা। আমার কণ্ঠে গানটি শোনার আমন্ত্রণ রইল।’ উল্লেখ্য, গতকালই গানটি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে।

 

Link copied!