ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা, দুই শুটার গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার

রুমান হাসান তামিম, মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক

রুমান হাসান তামিম, মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক

মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা, দুই শুটার গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার

রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যা মামলায় কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া আরও দুই শুটারকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি রিভলবার, তিন রাউন্ড তাজা গুলি ও দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। 

শুক্রবার র‌্যাব-৪ এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যায় পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১২, ব্লক-বি এলাকার ‘বিক্রমপুর স্যানিটারি অ্যান্ড হার্ডওয়্যার’ নামক নিজ দোকানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়া (৫০)। 

হেলমেট পরিহিত তিন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাঁকে লক্ষ্য করে বুকে ও পিঠে গুলি করে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় সন্ত্রাসীরা স্থানীয় জনতার ওপরও গুলি চালালে এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হন। এই ঘটনায় নিহতের পরিবার পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-৪। তদন্তে জানা যায়, কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া শুটাররা ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিল এবং সম্প্রতি দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছিল। 

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর রূপনগর থানাধীন ইস্টার্ন হাউজিং এবং উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের দিয়াবাড়ি এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুই শুটার মো. রাশেদ ওরফে লোপন (৩৫) এবং মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে কাল্লু (৪০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত রাশেদ ওরফে লোপনের দেওয়া তথ্যে তাঁর বাসা থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও তিন রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিজেদের শনাক্ত করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। 

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের আরও তিন রাউন্ড গুলি কিবরিয়া হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছিল। এই মিশনে ‘রেসকিউ’ দায়িত্বে ছিল ভাগিনা মাসুম, অস্ত্র সরবরাহ করেছিল পাতা সোহেল এবং ‘ফর্মা’ হিসেবে কাজ করেছিল সুজন।

র‌্যাবের দাবি, রাজনৈতিক কোন্দল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই খুনের পেছনে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন ছিল। গ্রেপ্তারকৃত দুজনই পেশাদার শুটার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এর আগে গত ১৮ নভেম্বর ২০২৫ এই মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. মনির হোসেন ওরফে পাতা সোহেল এবং মো. সুজন ওরফে বুকপোড়া সুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

জেএইচআর

Link copied!