Amar Sangbad
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪,

নীলফামারীতে নিয়োগ পরীক্ষায় নকল উত্তরপত্রসহ ১ জন আটক

নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী প্রতিনিধি

মার্চ ১১, ২০২৩, ০৫:৩৬ পিএম


নীলফামারীতে নিয়োগ পরীক্ষায় নকল উত্তরপত্রসহ ১ জন আটক

নীলফামারী জেলা প্রশাসক দপ্তরের কয়েকটি পদে লোক নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তরপত্রসহ ফয়সাল ইসলাম চৌধুরী (রোল নং ১৪০০১৭১) নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। জানতে পেয়ে কেন্দ্রের সচিব এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৌধুরী মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই পরীক্ষার্থীকে ২ দিনের কারাবাস প্রদান করেন। এছাড়াও পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্ন ফাসের ঘটনায় সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসক দপ্তরের ২৮টি পদে ৫ হাজার ৬৮৫ জন আবেদ করেন। শনিবার (১১ মার্চ) নীলফামারী সরকারি কলেজ ও সরকারি মহিলা কলেজ ছাড়াও সরকারি বালক ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ছমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সকাল ১০ টায় পরীক্ষা শুরুর প্রায় এক ঘন্টা আগেই প্রশ্ন ফাস হয়ে বাজারে আসে। শুরু হয় বিভিন্ন মহলের দৌঁড়ঝাপ। পরীক্ষা শুরু হতে না হতেই উত্তর পৌঁছতে শুরু করে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল আর ডিভাইসে।

নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজ ও ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, দেখে মনে হয় পরীক্ষা হলের সার্বিক চেহারা ভাল কিন্তু ভিতরে সবই সচল। বিশেষ করে মহিলা কলেজের কয়েকটি রুমের অবস্থা ভয়াবহ। রুম কন্টাক। জন প্রতি ৩০থেকে ৪০হাজার টাকা। কলেজের বেশ কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক সরাসরি এ রুম কন্টাকের সাথে জড়িত বলে চাকুরী প্রত্যাশীরা অভিযোগ করেছেন। কলেজের কয়েকজন শিক্ষকতো প্রকাশ্যে দর কষাকষি করে টাকা হাতানোর বিষয়টি শহরে ওপেন সিক্রেট বলে জানা গেছে। গত দুদিন কলেজের আশপাশে তারা মহাব্যস্ত সময় পার করেছেন। ওদিকে ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ফয়সাল ইসলাম চৌধুরী নামের এক সার্টিফিকেট সহকারীর চাকুরি প্রত্যাশীকে হাতে লেখা উত্তরপত্রসহ আটক করা হয়। পরে তাকে ২দিনের জেল দেয়া হয়েছে মোবাইকোর্টের মাধ্যমে।
অপরদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসক দপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছেলে-মেয়ে ও আত্মীয়স্বজন পরীক্ষায় অংশ নেয়ায় প্রশ্ন ফাসের অভিযোগটি ঐ দপ্তরের দিকেই।

জানতে চাইলে প্রশ্ন ফাঁস ও রুম কন্টাক্টের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ‍‍`এরকম হওয়ার সুযোগ নেই। কেউ আমাকে এরকম কিছু বলেও নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরএস

Link copied!