ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

পাথরঘাটায় সাংবাদিক লাঞ্ছিত: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

সুমন মোল্লা, পাথরঘাটা (বরগুনা)

সুমন মোল্লা, পাথরঘাটা (বরগুনা)

আগস্ট ২৫, ২০২৫, ০৫:৪৪ পিএম

পাথরঘাটায় সাংবাদিক লাঞ্ছিত: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ৭২নং উত্তর-পশ্চিম জালিঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

এটি করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস।

জানা গেছে, গত ২৪ আগস্ট বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম বীজতলা তৈরি করেন। সংবাদ সংগ্রহের চেষ্টা করলে তিনি সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করেন। এ সময় আরটিভির পাথরঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি তাওহীদুল ইসলাম শুভ ধাক্কা খেয়ে পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন, প্রধান শিক্ষক তাদের ধাক্কা দিয়ে অফিস কক্ষে আটকে রাখেন এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেন।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, মাঠ দখল করে ধানের বীজতলা করার কারণে তারা খেলাধুলা করতে পারছে না। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাসে ঘুমানো, মোবাইলে ভিডিও দেখা এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।

ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

সমকাল প্রতিনিধি ইমাম হোসেন নাহিদ বলেন, “সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়।”

যুগান্তর প্রতিনিধি মোস্তফা চৌধুরী বলেন, “একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করা দুঃখজনক। দ্রুত সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম খোকন জানান, “তথ্য অনুসন্ধান করা সাংবাদিকের দায়িত্ব। তবে এমন আচরণ জাতির জন্য লজ্জাজনক।”

পাথরঘাটা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকির হোসেন খান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সালেহ জসিম, নিউজ ২৪-এর সুমন সিকদার, সময় টিভির সাইফুল মিরাজ, স্টার নিউজ ও জাগো নিউজের নূরুল আহাদ অনিকসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বিশ্বাস বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর কিরণ হাওলাদার ও রনজিত মিস্ত্রীকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান জানান, “অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ইএইচ

Link copied!