ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

যশোর ব্যুরো

যশোর ব্যুরো

অক্টোবর ৩, ২০২৫, ০৪:২৪ পিএম

প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় ইসলামী মূল্যবোধকে ধ্বংস করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, এমন অভিযোগ তুলে যশোরে প্রতিবাদ জানিয়েছে জমঈয়ত সুবহানে আহলেহাদিস বাংলাদেশ যশোর জেলা শাখা ও বাংলাদেশ আহলেহাদীছ আন্দোলন যশোর জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে। 

শুক্রবার জুম্মাবাদ প্রেসক্লাব যশোরের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেন, এই দেশ মুসলমানের দেশ। এখানে ইসলামবিরোধী কোনো শিক্ষা আমরা মেনে নেব না। 

সংগীত শিক্ষক নিয়োগের নামে অশ্লীলতা চাপিয়ে দিলে দেশ ও জাতি ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়বে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা আরও বলেন, দেশের ৯০ শতাংশ জনগণ মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষানীতিতে ইসলামবিরোধী ধারা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শিশুদের চরিত্র গঠন, নৈতিকতা ও আখলাক গড়ে তোলার পরিবর্তে নাচ-গান শেখানো হচ্ছে। 

তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা আমাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাই আলোকিত মানুষ বানাতে, কিন্তু সেখানে তাদেরকে নাচ-গানের অশ্লীল সংস্কৃতি শেখানো হচ্ছে। এটি মুসলিম সমাজকে ধ্বংস করার একটি নীলনকশা।

বক্তারা সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ধর্মীয় শিক্ষক ছাড়া কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় চলতে পারে না। সংগীত শিক্ষক নিয়োগের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা ইসলামের শিক্ষা ও মুসলিম সংস্কৃতির বিরুদ্ধি। অবিলম্বে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করতে হবে, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য, বাংলাদেশ আহলেহাদিছ যুবসংঘ, মাওলানা আব্দুর রহিম বলেন, দেশের মুসলমানদের ঈমানকে বিপথে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামকে বাদ দিয়ে সংগীত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা চুপ করে থাকব না। সরকার যদি ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষায় ব্যর্থ হয় তবে এ জাতির মুসলমান কঠোর আন্দোলনের পথে নামবে।

সাধারণ সম্পাদক, আহলেহাদিছ যুবসংঘ যশোর জেলা শাখার অধ্যাপক আকবর হোসেন বলেন, আজ প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে, কাল নাচের শিক্ষক হবে, পরশু দিন নাটক বা নাট্যশালা চালু হবে। এভাবে ধাপে ধাপে মুসলিম প্রজন্মকে ধর্মহীন করার পরিকল্পনা চলছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র মেনে নেব না। ইসলাম বিরোধী কাজ প্রতিহত করতে হবে।

মাওলানা হারুনুর রশিদ, জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা জয়নাল আবেদীন, জয়েন্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক তৌহিদুল ইসলাম, মাওলানা খলিলুর রহমান, হাফেজ তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্য বক্তারা ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, দেশের মানুষ ইসলামী চেতনায় বিশ্বাসী। এ দেশের সংবিধানেও আল্লাহর সার্বভৌমত্ব স্বীকৃত। সেখানে শিক্ষাক্ষেত্রে ইসলামবিরোধী ধারা চাপিয়ে দেওয়া এক প্রকার রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ। আমরা বলছি, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার হবে। সংগীত শিক্ষার নামে অশ্লীলতা চাপিয়ে দেওয়া হলে এর পরিণাম হবে ভয়াবহ।

বক্তারা শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় ইসলামী নীতি, কোরআন-হাদিসভিত্তিক শিক্ষা ও নৈতিকতা অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানান। তারা বলেন, আমরা চাই প্রতিটি বিদ্যালয়ে যোগ্য ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক। মুসলমান শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করা হলে তা কখনো সফল হবে না। দেশে ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই।

মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ সরকারের কাছে দাবি জানান, অবিলম্বে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। নতুবা সারাদেশে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

ইএইচ

Link copied!