ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফরিদপুরে ঘর ভাঙচুরের ভিডিও করায় সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর প্রতিনিধি

অক্টোবর ২৩, ২০২৫, ০৩:১৫ পিএম

ফরিদপুরে ঘর ভাঙচুরের ভিডিও করায় সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা

ফরিদপুরে জমিজমা বিরোধের জেরে একটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় হামলার দৃশ্য ধারণ করায় প্রতিবেশী বাসিন্দা আনিচুর রহমান নামে এক সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করে হামলাকারীরা। আহত সাংবাদিক দেশটিভি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট খোদাবক্স সড়কের খৈমুদ্দিন মিয়া জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, পাশের মোল্যাবাড়ি সড়ক এলাকার বাসিন্দা বিএনপি সমর্থক আমিন মোল্যা ও শ্রমিক নেতা মারুফ মোল্যার নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি ওই এলাকার একেএম মাসুদুল আলমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ইটের দেয়াল ভাঙচুর করে। সেই ঘটনার ভিডিও করায় সাংবাদিক আনিচুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করে ও অবরুদ্ধ করে রাখে হামলাকারীরা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই সাংবাদিককে উদ্ধার করে।

আহত সাংবাদিক আনিচুর রহমান বলেন, ভাঙচুরের সময় আমি ভিডিও করি এবং পৌরসভা বা আদালতের অনুমোদন আছে কি না জানতে চাই। তখনই তারা আমাকে অতর্কিতভাবে কিলঘুষি ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। আমার দুটি মোবাইল ফোন ও বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরাও ভেঙে ফেলে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে পাশে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে হামলাকারীরা ওই বাড়ি ঘিরে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশকে জানালে তারা আমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী মাসুদ আলম জানান, তাঁদের বসতঘরের পেছনে বোয়ালমারী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মজিবুল হকের ছেলে মইনুল হক মঞ্জুর পাঁচ শতাংশ জমি রয়েছে। মইনুল তাঁর আপন বোনের ছেলে এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেই জমির রাস্তাও রয়েছে এবং তাঁর জমির মধ্যে কোনো অংশই তারা পাবে না বলে জানান।

মাসুদ আলম বলেন, আমার ক্রয়কৃত জমিতে গত ৫০ বছর ধরে বসবাস করছি। হঠাৎ করে গত ৫ আগস্টের পর থেকে শহরের মোল্যাবাড়ি এলাকার আমিন মোল্যা ও মারুফ মোল্যার যোগসাজশে আমাকে ওই বাড়ি ছেড়ে দিতে বলে। আজ হঠাৎ করে ৫০–৬০ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী এসে আমার বাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় আমি ভয়ে পালিয়ে থাকি। ঘটনার ভিডিও করায় আমার প্রতিবেশী সাংবাদিক আনিচকে বেধড়ক মারধর করে আটকে রাখে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমিন মোল্যা বলেন, মাসুদ মোল্যার জমির ভেতরে মইনুলদের জমি রয়েছে। কয়েকবার সালিশের মাধ্যমে ভেঙে ফেলতে বলা হয়েছিল, কিন্তু ভাঙেনি। তাই আজ আমরা নিজেরাই ভাঙতে গিয়েছিলাম। তখন ওই সাংবাদিক এসে ভিডিও করতে থাকে এবং কেন ভাঙছি জানতে চায়।

বিষয়টি নিয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেএইচআর

Link copied!