ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

বরগুনায় সালিশি বৈঠকে মৎস্য ব্যবসায়ীদের হামলা–ভাঙচুর

বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনা প্রতিনিধি

অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ০২:৫৬ পিএম

বরগুনায় সালিশি বৈঠকে মৎস্য ব্যবসায়ীদের হামলা–ভাঙচুর

বরগুনায় পচা মাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনার সালিশি বৈঠকে হামলা চালিয়ে বন্দর ক্লাবে ভাঙচুর করেছে বরগুনা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ২৬ অক্টোবর পচা মাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে একজন মৎস্য ব্যবসায়ীর সঙ্গে রাফি নামের শহরের এক দোকান মালিকের মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পরে মাছবাজারের ব্যবসায়ীরা একত্র হয়ে দোকানে হামলা ও লুটপাট চালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় সাংবাদিক ও বন্দর ক্লাবের সদস্য সচিব মো. মোশাররফ হোসেন সুষ্ঠু বিচার করার আশ্বাস দেন। পরের দিন বরগুনা বন্দর ক্লাবে সন্ধ্যা সাতটায় মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জহিরুল হক পনুসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি চলাকালে রাফির বাবা রিপন মিয়া মাফ চান এবং যে কোনো বিচার মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এ সময় অর্ধশতাধিক মাছ ব্যবসায়ী উৎশৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা চেয়ার–টেবিল ভাঙচুর করে বন্দর ক্লাবের নেতৃবৃন্দকে লাঞ্ছিত করে। রাফির ওপর বেধড়ক মারধর শুরু করে। তাকে ক্লাবের দোতলা থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত রাস্তায় দফায় দফায় মারধর করে। রাফি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। পরে তাকে আহত অবস্থায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বরগুনা বন্দর ক্লাবের সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম টিটু বলেন, “১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বরগুনার ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বন্দর ক্লাবে মাছবাজার সমিতির কিছু লোকজন সালিশি ডেকে বৈঠক চলাকালে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে। আমাদেরকেও তারা লাঞ্ছিত করতে পিছপা হয়নি। সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।”

বন্দর ক্লাবের আহ্বায়ক শামসুল আলম শানু বলেন, “আমরা সুষ্ঠুভাবে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম, কিন্তু মাছবাজার সমিতির ব্যবসায়ীরা এখানে অরাজকতা সৃষ্টি এবং আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা–ভাঙচুর চালিয়েছে। তারা এখানে মব সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসেছিল বলে আমরা পরে বুঝতে পারি।” এ ঘটনায় বরগুনা সদর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা অভিযোগ পেয়েছি, পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

ইএইচ

Link copied!