ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মাগুরা আদালত প্রাঙ্গণের গাছ বিক্রিতে টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা 

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা 

নভেম্বর ২, ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম

মাগুরা আদালত প্রাঙ্গণের গাছ বিক্রিতে টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

মাগুরা আদালত প্রাঙ্গণের একাধিক গাছ বিক্রি নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক ও প্রশ্ন। জেলা জজ আদালত ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত ১১টি মেহগনি গাছ বিক্রি ও কাটার ঘটনায় প্রক্রিয়াগত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিলাম বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১১টি মেহগনি গাছ বিক্রির জন্য ২৩ অক্টোবর প্রকাশ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী ক্রেতারা বন্ধ খামে দরপত্র জমা দেবেন এবং বিকাল ৫টায় নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১ম আদালত) মো. নাছির উদ্দীন সভাপতির স্বাক্ষরে নিলাম আহ্বান করা হয়। 

তবে মাঠপর্যায়ে পাওয়া তথ্য বলছে, নিলাম ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিষয়ে বন বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো অবগত ছিল না।

মাগুরা বন বিভাগের কর্মকর্তা তপন কুমার বলেন, গাছগুলোর দাম কত নির্ধারণ করা হয়েছিল তা এখন মনে নেই। তবে বিষয়টি খুবই আশ্চর্যের নিলামের বিজ্ঞাপন ও প্রক্রিয়া ছাড়াই গাছ কাটা হলো! আমি নিজেও সেই কমিটির একজন সদস্য, কিন্তু আমাকে জানানো হয়নি গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত বা কাটার অনুমোদন সম্পর্কে। এখন দেখি কাটাও প্রায় শেষের দিকে।
 
জেলা জজ আদালতের নাজির সঞ্জয় কুমার রায় বলেন, আমরা নিয়ম অনুযায়ী টেন্ডার প্রক্রিয়াতেই গাছ বিক্রি করেছি। সবকিছু লিখিত ও অনুমোদিতভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, নিলাম প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও বন বিভাগের অনুমোদন নিশ্চিত না করে সরকারি সম্পদ বিক্রি করা আইনত প্রশ্নবিদ্ধ। 

স্থানীয় পরিবেশ কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, মাগুরা শহরের এই এলাকায় গাছগুলো শুধু সৌন্দর্যই নয়, বায়ুদূষণ কমানোর বড় ভূমিকা রাখত। এসব গাছ বিক্রি ও কাটা যদি নিয়মবহির্ভূতভাবে হয়ে থাকে, তাহলে এটি সরকারি সম্পদের অপচয় হিসেবে গণ্য হবে। জেলা নিজির বলছে টেন্ডার হয়েছে নিয়মমাফিক, বন বিভাগ বলছে প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হয়নি ফলে পুরো ঘটনাটিতে স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তদন্ত ও স্বচ্ছতায় জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ তদন্তের দাবি তুলেছেন স্থানীয় পরিবেশবাদীরা। 

তারা বলছেন, দায়ীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে সরকারি স্থাপনায় গাছ কাটা বা বিক্রির এমন অনিয়ম আরও বাড়বে।

জেএইচআর

Link copied!