ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নেত্রকোণায় বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন

গোলাম কিবরিয়া সোহেল, নেত্রকোণা

গোলাম কিবরিয়া সোহেল, নেত্রকোণা

নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৩:৫০ পিএম

নেত্রকোণায় বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেত্রকোণায় পালিত হল বরেণ্য কথাসাহিত্যিক, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিশিষ্ট নাট্যকার ড. হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম শুভ জন্মদিন।

উল্লেখযোগ্য এই দিনটি উদযাপনের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ‘হিমু পাঠক আড্ডা’ আয়োজন করে আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে নিজ জেলা নেত্রকোণায় তার সৃষ্ট চরিত্র অনুযায়ী "ছেলেরা হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে হিমু এবং মেয়েরা নীল শাড়ি পড়ে রূপা সেজে" স্থানীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন।

সকাল ১১টায় শহীদ মিনার থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। শুভাযাত্রায় হিমু ও রূপাদের পাশাপাশি অসংখ্য কবি, লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আনন্দ শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকার ও জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী।

আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা হুমায়ূন আহমেদের বিভিন্ন নাটক ও সিনেমায় ব্যবহৃত জনপ্রিয় গানগুলোতে নাচ-গেয়ে আনন্দে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রার সমাপ্তি হয় মোক্তারপাড়া মুক্ত মঞ্চে, যেখানে ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নজরুল মঞ্চে হিমু পাঠক আড্ডার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলপনা বেগমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।

জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, “হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি সাহিত্য, নাটক ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। তার সৃষ্ট হিমু-রূপা চরিত্র নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তাঁর সাহিত্যকর্ম যুগ যুগ ধরে মানবিকতা, কল্পনাশক্তি ও জীবনের সৌন্দর্য অনুধাবনের অনুপ্রেরণা যোগাবে।”

দিনটি শেষ হয় নাচ-গান ও আড্ডার মাধ্যমে, যেখানে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ করে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ইএইচ

Link copied!