ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
সুদানে শান্তিমিশনে ড্রোন হামলা

হাতে-পায়ে স্প্লিন্টার নিয়ে হাসপাতালে মানিকগঞ্জের চুমকি

বি.এম খোরশেদ, মানিকগঞ্জ

বি.এম খোরশেদ, মানিকগঞ্জ

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:৪৭ পিএম

হাতে-পায়ে স্প্লিন্টার নিয়ে হাসপাতালে মানিকগঞ্জের চুমকি

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর ড্রোন হামলায় আহত সৈনিকদের একজন মানিকগঞ্জের চুমকি আক্তার। হাতে-পায়ে স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়েছে তার। বর্তমানে সুদানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। মাত্র ৩৬ দিন আগে সুদানে শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দিয়েছিলেন চুমকি।

রোববার বিকেলে চুমকি আক্তারের পারিবারিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চুমকি আক্তার জেলার ঘিওর উপজেলার পেচারকান্দা এলাকার আব্দুল হামিদ ও জহুরা বেগমের মেয়ে। তাঁর স্বামী মো. ইকরামুল হোসেন ও দুই বছরের একমাত্র সন্তান ইব্রাহিম আরাবি রয়েছেন দেশে। শান্তিমিশনে যাওয়ার সময় সন্তানকে মায়ের কাছেই রেখে গেছেন তিনি।

আহত চুমকি আক্তারের স্বামী মো. ইকরামুল হোসেন নিজেও সেনাবাহিনীর সদস্য। তিনি জানান, চলতি বছরের ৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে সুদানে যান চুমকি। হামলার সময় গ্রেনেডের একাধিক স্প্লিন্টার তার ডান হাত ও ডান পায়ে লাগে। পরে হেলিকপ্টারে করে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরের একটি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নিয়মিত তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর পাচ্ছে পরিবার।

চুমকির মা জহুরা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার চার মেয়ের মধ্যে চুমকি সবার ছোট। তাঁর ডান হাত আর পায়ে আঘাত লেগেছে। ওই দেশে হাসপাতালে ভর্তি আছে। আমার স্বামী কৃষিকাজ করেন। আমাদের কোনো ছেলে সন্তান নেই। মেয়ের দ্রুত সুস্থতা ও নিরাপদে দেশে ফেরার জন্য সবার দোয়া কামনা করেন তিনি।

আইএসপিআর জানায়, সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর ড্রোন হামলায় ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার চুমকি আক্তারও রয়েছেন।

নিহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা হলেন, কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা (নাটোর), সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম), শামীম রেজা (রাজবাড়ী), শান্ত মন্ডল (কুড়িগ্রাম), মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ) এবং লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।

আহতরা হলেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান (কুষ্টিয়া), সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন (দিনাজপুর), কর্পোরাল আফরোজা পারভিন ইতি (ঢাকা), ল্যান্স কর্পোরাল মহিবুল ইসলাম (বরগুনা), সৈনিক মো. মেজবাউল কবির (কুড়িগ্রাম), মোসা. উম্মে হানি আক্তার (রংপুর), চুমকি আক্তার (মানিকগঞ্জ) ও মো. মানাজির আহসান (নোয়াখালী)।

বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের ওপর এই হামলায় দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন সহকর্মী ও স্বজনরা।

ইএইচ

Link copied!