ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

সালথায় রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ায় মাদরাসার শিক্ষককে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম

সালথায় রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ায় মাদরাসার শিক্ষককে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ

ফরিদপুরের সালথায় ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ার অভিযোগে হাফেজ মো. মুকতার হুসাইন (৫০) নামে কওমী মাদরাসার এক শিক্ষক চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

মঙ্গলবার দুপুরে সালথা উপজেলা খেলাফত মজলিস কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

ভুক্তভোগী শিক্ষক হাফেজ মুকতার হুসাইন উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া রহমানিয়া তালতলা মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক। তিনি নগরকান্দার উপজেলার ইশ্বর্দী গ্রামের বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে হাফেজ মুকতার হুসাইন জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় মাদরাসায় ক্লাস নিচ্ছিলাম। এ সময় মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা হেদায়েত উল্লাহর ভাই কাইয়ুম মোল্যা ও স্থানীয় ফজলুল মাতুব্বর আমাকে ক্লাসরুম থেকে ডেকে নেন। প্রথমে তারা আমার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “আপনি রিকশা মার্কায় ভোট চান ও হুজুরের নির্বাচনী সভায় অংশ নেন?” উত্তরে আমি বলি, হ্যাঁ, হুজুরকে আমি ভালোবাসি, তাই ভোট চাই। এই কথা বলার পর কাইয়ুম মোল্যা আমাকে খারাপ ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দেন। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আমার বেতন বন্ধ করে আমাকে বিদায় করে দেন। আমি এই ঘটনার ন্যায়বিচারের দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সালথা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ফরিদপুর-২ আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আল্লামা আকরাম আলী হুজুরের পক্ষে ভোট চাওয়ায় আমাদের একজন কর্মীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা ১১ দলের পক্ষ থেকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি আরও জানান, সালথা ও নগরকান্দায় সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই। নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্থানে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে।

মাদরাসার মোহতামিমের ভাই কাইয়ুম মোল্যা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা তাকে কোনো হুমকি-ধামকি দিইনি। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। তিনি আগেও একবার মাদরাসা থেকে চাকরি ছেড়ে গিয়েছিলেন, পরে আবার যোগ দিয়েছেন। মাঝে মাঝে তিনি ছাত্রদের মারধর করেন। কয়দিন ধরে তিনি ক্লাস চলাকালে রিকশার ভোট চাচ্ছেন এবং ছাত্রদের পরিবারে প্রচারণা করতে বলছেন। এতে মাদরাসার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তাই আমরা তাকে হুজুরের মাধ্যমে ভোট দেওয়া নিষেধ করেছি। তিনি উল্টো হুমকি-ধামকি দিয়ে মাদরাসা থেকে বেরিয়ে গেছেন।”

সালথা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সঠিক নয়। আজ পর্যন্ত তারা লিখিত কোনো অভিযোগ দেননি। এমনকি আমার কার্যালয়ের সামনে থাকা অভিযোগ বাক্সেও কোনো অভিযোগ জমা দেওয়া হয়নি।”

এএন

Link copied!