ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

যশোরে দুই সন্তান নিয়ে পথে পথে অন্তঃসত্ত্বা বর্ষা, পরকীয়া ও ঋণে ভেঙেছে সংসার

যশোর ব্যুরো

যশোর ব্যুরো

মার্চ ৪, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

যশোরে দুই সন্তান নিয়ে পথে পথে অন্তঃসত্ত্বা বর্ষা, পরকীয়া ও ঋণে ভেঙেছে সংসার

ভালোবাসার টানে প্রায় ১৫ বছর আগে ঘর বেঁধেছিলেন বর্ষা খাতুন ও গোলাম রসুল। অভাবের মাঝেও বাবার বাড়ির সহযোগিতায় গড়ে উঠেছিল তাঁদের ছোট্ট সংসার। কিন্তু স্বামীর মাদকাসক্তি, পরকীয়া এবং ঋণের বোঝায় সেই সুখের সংসার আজ ভেঙে চুরমার। দুই সন্তানকে নিয়ে অন্তঃসত্ত্বা বর্ষা এখন দিশেহারা হয়ে পথে পথে ঘুরছেন।

যশোর সদর উপজেলার হৈবদপুর ইউনিয়নের বানিয়ানি গ্রামের বর্ষার সঙ্গে ২০১২ সালে বিয়ে হয় নিছার বিশ্বাসের ছেলে গোলাম রসুলের। রসুলের নিজস্ব ভিটেমাটি না থাকায় বর্ষার পরিবারই তাঁকে আশ্রয় দেয় এবং ব্যবসা করতে শহরে ফুলের চারার দোকান করে দেয়। 

অভিযোগ রয়েছে, রসুল দীর্ঘদিন ধরে নেশায় আসক্ত হওয়ার পাশাপাশি সম্প্রতি নিজের মামাতো শ্যালকের স্ত্রী শারমিন সুলতানা তন্নীকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়ার আগে তিনি বিভিন্ন এনজিও ও ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সেই দায়ভার স্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দেন।

বর্ষার পরিবার জানায়, কিছুদিন আগে যশোরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আহত হলে বর্ষার পরিবারই রসুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর কৃতজ্ঞতা জানানোর পরিবর্তে উল্টো বর্ষার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তিনি। 

এছাড়া অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়মিত ফোনে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে বর্ষার ১২ বছর বয়সী ছেলে রাতুল ও তিন বছরের ছেলে আরিয়ান মায়ের সঙ্গেই অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে বর্ষা বলেন, সন্তান প্রসবের সময় প্রায় চলে এসেছে। এই সময়ে যেখানে যত্ন দরকার, সেখানে পাওনাদারদের ভয়ে আমি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছি। আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে গেছে। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।

এ বিষয়ে গোলাম রসুলের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করলেও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভুক্তভোগী পরিবারটি এই অমানবিক ঘটনার প্রতিকারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!