ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পাথরঘাটায় পিআইওর বিরুদ্ধে পে-অর্ডার আটকে ঘুষ দাবির অভিযোগ

সুমন মোল্লা, পাথরঘাটা (বরগুনা)

সুমন মোল্লা, পাথরঘাটা (বরগুনা)

মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

পাথরঘাটায় পিআইওর বিরুদ্ধে পে-অর্ডার আটকে ঘুষ দাবির অভিযোগ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ঘুষের টাকা না দেওয়ায় রাস্তার কাজের জামানতের পে-অর্ডার আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রুনু বেগম-এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেছেন ৪নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সগির আলম।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান ও পিআইওর মধ্যে কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে বাদুরতলা এলাকায় টিআর প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার একটি রাস্তার কাজ বাস্তবায়ন করেন সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সগির আলম। প্রকল্পের বিপরীতে ১ লাখ টাকার একটি পে-অর্ডার জামানত হিসেবে জমা রাখা হয়েছিল। কাজ শেষ হওয়ার পর সেই পে-অর্ডার ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সগির আলমের দাবি, তিনি সরকারি নিয়ম মেনে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু পিআইও রুনু বেগম তার কাছে ১০ শতাংশ ঘুষ দাবি করেন। তিনি ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পে-অর্ডার আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, “আজ অফিসে গিয়ে পে-অর্ডার ফেরত চাইলে পিআইও’র সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পিআইও কোনো জবাব না দিয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান।”

এই বিষয়ে ৩ নং সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আল আমিন বলেন, “পিআইও রুনু বেগম দায়িত্বে আসার পর থেকে তার আচরণ ও কার্যক্রম নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা কোনো বিষয়ে জানতে চাইলে সন্তোষজনক সহযোগিতা বা পরামর্শ পান না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের একটি পে-অর্ডার আছে। সেই বিষয়ে জানতে গেলে পিআইও বিভিন্নভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং নানা অজুহাত দেন। মেহেরুনের কাছে যেতে বললেও, মেহেরুন অনেক আগেই বদলি হয়ে গেছেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম। তিনি বলেন, “সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সগির আলম ঠিকমতো কাজ করেন না। কাজে অনেক ত্রুটি থাকে। সেই বিষয়গুলো বললেই তার সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। আমি চাই কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হোক। কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ না হওয়ায় পে-অর্ডার দেওয়া হয়নি।”

১০ শতাংশ ঘুষ দাবির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি সঠিকভাবে কাজ করতে বলায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”

এই ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এএন

Link copied!