ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

ভোলা প্রতিনিধি

ভোলা প্রতিনিধি

মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
চরফ্যাশনের বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন ঢালচরে কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত বাড়িঘর। ছবি: প্রতিনিধি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হঠাৎ দক্ষিণ দিক থেকে ধেয়ে আসা আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে অসংখ্য গাছপালাও উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত শেষ রাতে হঠাৎ করেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। প্রথমে হালকা বাতাস থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা তীব্র আকার ধারণ করে। ঝড়ের সঙ্গে গুড়ি গুড়ি শিলাবৃষ্টিও হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করতে থাকে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তাদের বেশিরভাগই কাঁচা ঘরে বসবাস করায় ঝড়ের আঘাত সহ্য করতে পারেনি। অনেকের ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি-মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকী, চর মানিকা ও নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, প্রতিদিনের মতো ওইদিন রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সেহরির সময়ের দুই ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ দিক থেকে ধেয়ে আসা তীব্র গতির বাতাসে তার বসতঘরের চালা উড়ে যায়।

তিনি বলেন, “আজ থেকে তিন দিন পরই ঈদ। ঈদের আগেই আমাদের মাথাগোঁজার ঠাঁই হারিয়ে ফেলেছি। ঝড় আমাদের ঈদের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। শুধু আমি নই, আমার মতো আরও বহু পরিবার বসতঘর হারিয়ে পথে বসেছে।”

একইভাবে ঢালচরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. হাসান, মো. ইব্রাহিম, মো. জসিম, আক্তার, মো. রিয়াজ, শাহীন হাওলাদার, মো. আনোয়ার ও মো. গিয়াস উদ্দিনের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চর মানিকা ইউনিয়নের চর কচ্ছপিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হাওলাদার বলেন, “আমি একজন ব্যবসায়ী। বাতাসের প্রবল চাপে চর কচ্ছপিয়া বাজারে আমার একটি দোকানঘরের চালা উড়ে গেছে।”

ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, হঠাৎ ঝড়ে ঢালচরে প্রায় ৩০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

এএন

Link copied!