লিটন আহমেদ, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)
মার্চ ২৯, ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জব্দকৃত পেট্রোল গায়েব করা হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। জব্দকৃত তেল বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিনসাড়া বাজারে অবস্থিত মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজে অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। এ সময় আনুমানিক ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং দোকান মালিক শাহ আলমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয় চাহিদার প্রেক্ষিতে জব্দকৃত পেট্রোল উপজেলার খালকুলা নর্থ বেঙ্গল সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রতি লিটার ১১৬ টাকা দরে মোটরসাইকেল চালকদের কাছে ১ লিটার করে বিক্রি করা হয়। এতে মোট ৩৭৬ লিটার পেট্রোল বিক্রি হয় এবং ৪৩ হাজার ৬১৬ টাকা সংগ্রহ করা হয়।
সাপ্তাহিক ছুটির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা জমা দেওয়া সম্ভব না হলেও, রবিবার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত পেট্রোল দুটি ড্রামে করে ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয় এবং বিক্রির পর খালি ড্রাম ফেরত দেওয়া হয়। তেল গায়েব করার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে ইউএনও নুসরাত জাহান বলেন, “সমস্ত কার্যক্রম বিধি-বিধান মেনেই পরিচালনা করা হয়েছে। বিক্রিত অর্থ যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।”
তিনি আরও জানান, “কিছু অতিউৎসাহী ব্যক্তি ভুল তথ্য ছড়িয়ে থাকতে পারেন। তবে তেলের সংকটকালীন সময়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এএন