ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট, রোগীদের ভোগান্তি

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

এপ্রিল ১, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম

দুমকি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট, রোগীদের ভোগান্তি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় বিড়ম্বনার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি এই হাসপাতালে গজ, ব্যান্ডেজ থেকে শুরু করে সাধারণ সিরিঞ্জ পর্যন্ত মিলছে না। ফলে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি সরঞ্জামই রোগীদের কিনতে হচ্ছে বাইরের ফার্মেসি থেকে। এতে একদিকে যেমন ব্যয়ের বোঝা বাড়ছে, অন্যদিকে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন নিম্নআয়ের মানুষ।

সম্প্রতি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ভর্তি হওয়া রোগীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য সামগ্রীর কোনো মজুদ নেই। ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল ও স্যালাইন সেটের মতো অতিপ্রয়োজনীয় উপকরণের সংকটে চিকিৎসাসেবা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

শ্রীরামপুর থেকে আসা রোগী সোহেল (২৫) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি হাসপাতালে আসি একটু কম খরচে চিকিৎসা পাব বলে। কিন্তু এখানে এসে দেখি তুলা আর ব্যান্ডেজটাও বাইরে থেকে কিনতে হয়। গরিব মানুষ আমরা, এই বাড়তি টাকা জোগাড় করা আমাদের জন্য খুব কষ্টের।”

মহিলা ওয়ার্ডের রোগীর স্বজন রিনা জানান, “চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দিলেও হাসপাতালের স্টোরে কিছুই নেই। চড়া দামে বাইরের দোকান থেকে সব কিনতে হচ্ছে।”

সংকট কেবল হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নেই। জানা গেছে, উপজেলাজুড়ে মাঠপর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীরও তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ একেবারেই নগণ্য হওয়ায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

হাসপাতালের এই করুণ অবস্থার কথা স্বীকার করেছেন দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান। তিনি বলেন, “টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কিছু আইনি ও কারিগরি জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব সংগ্রহের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং এই সংকট কেটে যাবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাসের পর মাস টেন্ডার জটিলতা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা অযৌক্তিক। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

এএন

Link copied!