ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ভোলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫৯৭৪ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ

ভোলা প্রতিনিধি

ভোলা প্রতিনিধি

এপ্রিল ১, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম

ভোলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫৯৭৪ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ

ভোলার বিসিক শিল্প নগরীতে অবৈধভাবে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে প্রায় ৬ হাজার (৫৯৭৪) লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ৮টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল।

অভিযানে ‘খান ফ্লাওয়ার’ নামের একটি কারখানা থেকে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক জামাল খানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই শিল্প নগরীর ‘তৃষ্ণা বেকারি’ থেকে আরও প্রায় ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মালিক মো. জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে খান ফ্লাওয়ারের কর্মীরা হট্টগোল সৃষ্টি করে এবং বিসিকের অভ্যন্তরীণ সড়কে ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় মালিক জামাল খান ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতেই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব ডিজেল মজুদ করা হয়েছিল এবং কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা। জব্দকৃত ডিজেল বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি উদ্ধার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

জামাল খান দাবি করেছেন, জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতিতে তিনি তেল এনেছিলেন। তবে তার কাছে কোনো লিখিত অনুমতি বা লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জামাল খান একটি লড়িতে প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল এনে তার একটি অংশ বিভিন্ন কারখানায় বিক্রি করেছেন।

যদিও তার কারখানার দৈনিক চাহিদা প্রায় ১৫০ লিটার এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ দিনের জন্য ৪৫০ লিটার জ্বালানি মজুদের অনুমতি রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছিল।

এএন

Link copied!