মো. মাহমুদুল হাসান বাবু, পঞ্চগড়
এপ্রিল ২, ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র পঞ্চগড় জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে অধ্যক্ষ দেলদার রহমান দিলুকে।
মঙ্গলবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর মো. আব্দুল লতিফকে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি ইন্তেকাল করায় উক্ত পদে সৃষ্ট শূন্যতা পূরণ ও সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে দেলদার রহমান দিলুকে পঞ্চগড় জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদে পূর্ণকালীন দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এনসিপির দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, সদস্য সচিব হিসেবে দেলদার রহমান দিলুকে দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে পঞ্চগড় জেলার এনসিপির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তার নেতৃত্বে দলের কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বেগবান হবে এবং জনগণের সঙ্গে দলের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
অধ্যক্ষ ও আইনজীবী মো. দেলদার রহমান দিলুর গ্রামের বাড়ি বোদা উপজেলার সরকারপাড়া গ্রামে। তিনি মৃত দারাজউদ্দীন আহম্মেদ-এর ষষ্ঠ সন্তান। বর্তমানে তিনি পঞ্চগড় জেলার ডোকরোপাড়া মহল্লার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি ১৯৯৩ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন, ১৯৯৪ সালে এলএলবি এবং ২০১০ সালে বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন।
তিনি পঞ্চগড় বিসিকনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ (বিএমটি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও প্রিন্সিপাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কারিগরি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া অসংখ্য কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে সদর উপজেলার মিঠাপুকুর টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, পঞ্চগড় টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম মহিলা কলেজ, বোদা উপজেলার ডিআর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম মহিলা ইন্সটিটিউট এবং নতুনহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ উল্লেখযোগ্য। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসবিইউজিএস-এর নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের উপদেষ্টা, এবং ঢাকা জজ কোর্ট, ঢাকার সিএমএম কোর্ট ও পঞ্চগড় জজ কোর্টের তালিকাভুক্ত আইনজীবী।
রাজনীতিতে আগে থেকেই সম্পৃক্ত দেলদার রহমান দিলু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সদর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রথম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যদিও সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। ২০২২ সালের দ্বিতীয় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনেও অংশ নেন।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তাকে সদস্য সচিব করার ফলে দল আরও সংগঠিত হবে, গতিশীলতা বাড়বে এবং তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করবে।
এএন