ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মোহনগঞ্জে স্কুলের টিফিনে অনিয়ম, ঠিকাদারের দায়িত্বে সরকারি কর্মকর্তা!

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

এপ্রিল ২, ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম

মোহনগঞ্জে স্কুলের টিফিনে অনিয়ম, ঠিকাদারের দায়িত্বে সরকারি কর্মকর্তা!

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিফিনের খাবারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি শিডিউল অনুযায়ী উন্নত মানের খাবার দেওয়ার কথা থাকলেও সিদ্ধ ডিমের পরিবর্তে কাঁচা ডিম সরবরাহ এবং অনেক ক্ষেত্রে খাবার না দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

জানা গেছে, উপজেলার ৮৯টি বিদ্যালয়ের ১৩ হাজার ৩৫৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য গত ২৯ মার্চ থেকে টিফিন বিতরণ শুরু হয়। নিয়মানুযায়ী সপ্তাহে পাঁচ দিন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম, দুধ ও মৌসুমি ফল দেওয়ার কথা। ঢাকার ‘সততা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এই ঠিকাদারি কাজ পায়। তবে স্থানীয়ভাবে এর দেখভাল করছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ওলিউল্লাহ, যা সরকারি চাকরির বিধিমালা পরিপন্থী।

পৌরশহরের মাইলোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক স্বর্ণা আক্তার জানান, তার সন্তানকে বুধবার শুধু বনরুটি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেওয়া হয়েছে বনরুটি ও কাঁচা ডিম। 

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার সময়মতো খাবার না আনায় শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে। এমনকি দেরিতে আসা খাবার ফেরতও দেওয়া হয়েছে।

একই চিত্র উপজেলার অন্য স্কুলেও। বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল জিয়া জানান, শিডিউল অনুযায়ী সিদ্ধ ডিম দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদার শুধু বনরুটি দিচ্ছে। গলগলি মল্লিকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৌশিক তালুকদার অভিযোগ করেন, সরবরাহ করা খাবার খেয়ে অনেক শিক্ষার্থী বমি করে অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তা মো. ওলিউল্লাহ দাবি করেন, তিনি ঠিকাদারের প্রতিনিধি নন, কেবল পরিচিত হওয়ার সুবাদে কাজ দেখাশোনা করছেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন জানান, ঠিকাদারির দায়িত্বে কোনো সরকারি চাকরিজীবী থাকার নিয়ম নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, অনিয়মের বিষয়টি জানার পর ঠিকাদারকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। জনবল বাড়িয়ে সঠিক সময়ে মানসম্মত খাবার সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইউএনও আরও জানান, নতুন কাজ শুরু হওয়ার অজুহাত দিলেও পরবর্তীতে এমন অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেএইচআর

Link copied!