ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

গুরুদাসপুরে পুকুর সংস্কারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম

গুরুদাসপুরে পুকুর সংস্কারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় পুকুর সংস্কারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মিঠুন (২৯) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের দস্তাননগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জুমল সোনারের ছেলে মিঠুন একটি ভেকু (খননযন্ত্র) নিয়ে পুকুর সংস্কারের কাজ শুরু করেন। একই সময়ে মঈনুদ্দিন সোনার আগে থেকেই অন্য একটি পুকুরে ভেকু দিয়ে কাজ করছিলেন। পরবর্তীতে মিঠুনের পুকুর সংস্কারের কাজটিও নিজে করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন মঈনুদ্দিন। এ নিয়ে তিনি মিঠুনকে কাজ বন্ধ করতে বলেন।

তবে মিঠুন কাজ চালানোর প্রস্তুতি নিলে মঈনুদ্দিন শান্তসহ কয়েকজনকে নিয়ে সেখানে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে ধাওয়া করেন। এতে মিঠুন আহত হন এবং বর্তমানে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রশাসন মঈনুদ্দিন সোনার ও মিঠুন সোনারের দুটি ভেকু জব্দ করেছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. রুবেল জানান, আহত মিঠুনের অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। তার চোখের উপর ভ্রু সংলগ্ন স্থানে ছোট একটি কাটা দাগ রয়েছে।

আহত মিঠুন অভিযোগ করেন, তার চাচা মঈনুদ্দিন ও শান্তসহ ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে ধাওয়া করেছে এবং মারধর করেছে।

অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শী রুবেল সোনার জানান, তিনি মাঠে কাজ করার সময় দেখেছেন শান্তর নির্দেশে কয়েকজন মিলে মিঠুনকে ধাওয়া করছে। তাদের হাতে লাঠি ও হাঁসুয়া ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মঈনুদ্দিন বলেন, তারা শুধুমাত্র ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধ করতে গিয়েছিলেন। এটি পারিবারিক বিষয় এবং কথা কাটাকাটির জেরে ঘটনা ঘটেছে।

শান্তও দাবি করেন, তার ভেকু ব্যবসা পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং তিনি শুধু ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধ করতে বলেছিলেন। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এলাকাবাসী জানান, নিয়ম মেনে না কাজ করেই মৎস্যকল্যাণ সমিতির মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে পুকুর সংস্কার চলছে। উপজেলায় প্রায় ১৫-২০টি ভেকু এভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ওসি (তদন্ত) আকবর আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ফসলি জমিতে পুকুর খনন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে নিয়ম মেনে আবেদন করলে অনুমতি দেওয়া হয়। নিয়ম না মেনে কাজ করলে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে দুটি ভেকু জব্দ করা হয়েছে।

এএন

Link copied!