ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

নারী সেজে ছাত্রদল নেতার টিকটক, বহিষ্কারের পর মুখ খুললেন সেই রেদোয়ান

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ৬, ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

নারী সেজে ছাত্রদল নেতার টিকটক, বহিষ্কারের পর মুখ খুললেন সেই রেদোয়ান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বহিষ্কৃত নেতা রেদোয়ান ইসলাম দাবি করেছেন, তাকে ঘিরে ছড়ানো ট্রান্সজেন্ডার সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব।

রেদোয়ান ইসলাম ‘রিহিয়া রিহি’ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে বলেন, তিনি একজন পুরুষ এবং দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। কিছু ভিডিও কনটেন্টের কারণে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে রেদোয়ানের বাবা জাহাঙ্গীর আলমও অভিযোগকে গুজব বলে দাবি করেন। তিনি জানান, তার ছেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ভিডিও তৈরি করেছিল, যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এসব কর্মকাণ্ড সমর্থন করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে রোববার জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রেদোয়ান ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জীবনবৃত্তান্তে নিজেকে পুরুষ হিসেবে উল্লেখ করলেও পরে লিঙ্গ পরিবর্তনের তথ্য সামনে আসে, যা গোপন রাখার অভিযোগে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সমীর চক্রবর্তী জানান, সম্প্রতি কলেজ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয় এবং সেই প্রক্রিয়ায় রেদোয়ান ইসলাম অন্তর্ভুক্ত হন। তবে পরবর্তীতে তার বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। কেউ বিষয়টিকে ব্যক্তিগত পরিচয়ের স্বাধীনতার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন, আবার কেউ তথ্য গোপনের অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে সত্যতা যাচাই ও ব্যক্তিগত মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নটি সামনে এসেছে।

এএন

Link copied!