ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলী লাঞ্ছিত

শেখ মিহাদ, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

শেখ মিহাদ, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

নবীনগরে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় প্রকৌশলী লাঞ্ছিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সরকারি রাস্তার নির্মাণ কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এক প্রভাবশালী ঠিকাদারের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন এক প্রকৌশলী। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মেরকুটা বাজার এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।

এলজিইডির আওতায় নবীনগর উপজেলার মেরকুটা বাজার থেকে শিবপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রাজশাহীর ‘বরেন্দ্র কন্সট্রাকশন লি.’ এই কাজের কার্যাদেশ পেলেও স্থানীয়ভাবে কাজটির তদারকি করছিলেন প্রভাবশালী ঠিকাদার লোকমান হোসেন।

সোমবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকা থেকে আসা এলজিইডির একটি প্রতিনিধি দল এবং স্থানীয় প্রকৌশলীরা কাজের মান পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে কাজের নিম্নমান নিয়ে প্রশ্ন তুললে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মীর্জা মো. তরিকুল ইসলামকে লক্ষ্য করে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন ঠিকাদার লোকমান। উপস্থিত কর্মকর্তাদের সামনেই তিনি হাতে বাঁশ নিয়ে ওই প্রকৌশলীকে মারতে উদ্যত হন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে ধাওয়া করেন।

লাঞ্ছিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম বলেন, “কাজের অনিয়ম নিয়ে কথা বলতেই ঢাকা ও জেলা থেকে আসা স্যারদের সামনেই ঠিকাদার লোকমান আমাকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তেড়ে আসেন। আমি কোনো রকমে দৌড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছি।” তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী ও ভয়ংকর হওয়ায় তিনি চরম আতঙ্কে আছেন এবং দ্রুত বদলি হয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ঘটনা শোনার পরপরই নবীনগরের ইউএনও মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান দুপুরে বলেন, সরকারি কর্মকর্তার ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি পুলিশ সুপারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই ঠিকাদারকে গ্রেপ্তারের কঠোর নির্দেশ দিয়েছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!