ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

মাগুরায় কিশোর হত্যার রহস্য উদঘাটন, ৫ আসামি গ্রেপ্তার

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম

মাগুরায় কিশোর হত্যার রহস্য উদঘাটন, ৫ আসামি গ্রেপ্তার

মাগুরা সদর উপজেলায় কিশোর সুমন মোল্লা (১৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে মাগুরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মীরপাড়া (মাঠপাড়া) এলাকায় একটি কলাবাগান থেকে সুমনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি স্থানীয় আয়নাল মোল্লার মাছের ঘেরের পাশ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে, ৩১ মার্চ নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সুমন নিখোঁজ হন। পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে ২ এপ্রিল মাগুরা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরদিন স্থানীয়দের মাধ্যমে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিহিত পোশাক দেখে সুমনের মরদেহ শনাক্ত করেন।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা পুলিশের একাধিক ইউনিট তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন মেহনাজ হোসেন জিহাদ (২৪), জুয়েল হোসেন (২৩), শাকিব শেখ (১৯), তারিকুল ইসলাম (২৬) এবং হৃদয় হোসেন (২৮)। এর মধ্যে তারিকুল ইসলামকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে এবং হৃদয় হোসেনকে জুইতারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ভিকটিমের মোবাইল ফোন বন্ধক রাখা নিয়ে বিরোধের জেরে ৩১ মার্চ রাতে সুমনের সঙ্গে আসামিদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন চালানো হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে লাশ গোপন করতে পাশের কলাবাগানে ফেলে রাখা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।

এএন

Link copied!