ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

দুর্নীতির মামলায় মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র কারাগারে

বি. এম খোরশেদ, মানিকগঞ্জ

বি. এম খোরশেদ, মানিকগঞ্জ

এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

দুর্নীতির মামলায় মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র কারাগারে

দুর্নীতির মামলায় মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মো. রমজান আলীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে মানিকগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. কে. এম. তোফায়েল হাসান দুই পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা তিনটি মামলার মধ্যে একটি উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে। বাকি দুটি মামলা বিচারাধীন থাকলেও দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় গত ১ ফেব্রুয়ারি রমজান আলীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে তিনি বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রমজান আলীর আইনজীবী এ. টি. এম. শাহজাহান বলেন, “মামলায় তিনি আগে জামিনে ছিলেন। অসুস্থতার কারণে আদালতে হাজির হতে পারেননি। আজ উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর হয়েছে। আমরা পুনরায় জামিনের আবেদন করব।”

দুদকের আইনজীবী দেওয়ান মিজানুর রহমান জানান, রমজান আলীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন। আদালতে অনুপস্থিত থাকার কারণেই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮-৯৯ সালে মানিকগঞ্জ পৌর সুপার মার্কেটের দক্ষিণ পাশের জায়গা ভরাটের কাজ মেসার্স মহুয়া কনস্ট্রাকশনের মালিক আমিরুল ইসলাম মট্টুকে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই তৎকালীন মেয়র রমজান আলী একই কাজ একাধিকবার বাড়িয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে পৌরসভার তহবিল থেকে ৪ লাখ ২২ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এছাড়া, ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কাঁচাবাজারের দক্ষিণ পাশের খাদ ভরাটের কাজেও একইভাবে অনিয়মের মাধ্যমে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৩৩০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

অন্য একটি মামলায়, ২০০৪ সালে পৌরসভার জিপ মেরামতের নামে অগ্রিম হিসেবে এক লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে একই খাতে আরও এক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, যেখানে তৎকালীন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার হামিদুর রশিদ কাজলও জড়িত।

এসব ঘটনায় ২০০৭ সালের এপ্রিল ও মে মাসে পৃথকভাবে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করে দুদক।

তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৩ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এসব মামলায় ইতোমধ্যে চার্জ গঠন করা হয়েছে। মামলাগুলোতে রমজান আলীসহ একাধিক ব্যক্তি আসামি রয়েছেন।

এএন

Link copied!