ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

যশোরে শাশুড়িকে জবাই, চাপাতিসহ পুত্রবধূ আটক

যশোর ব্যুরো

যশোর ব্যুরো

এপ্রিল ২২, ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম

যশোরে শাশুড়িকে জবাই, চাপাতিসহ পুত্রবধূ আটক

পারিবারিক কলহ ও বকাঝকার জেরে যশোরে শাশুড়িকে নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম (২০) কে আটক করেছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা ও যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার এ তথ্য জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব, যশোর ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর সুজন কুমার মণ্ডল।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সকিনা বেগম (৬০) বেজপাড়া এলাকার লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল সকালে সকিনার ছেলে শহিদুল ইসলাম দোকানে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী মরিয়ম তাকে বাইরে খেয়ে নিতে বলেন এবং জানান বাসায় রান্না হয়নি। এসময় মায়ের খোঁজ করলে মরিয়ম জানান, তিনি বাইরে তালিমে গেছেন। রাতে বাড়ি ফিরে শহিদুল তার মাকে না পেয়ে আবার খোঁজ নেন, কিন্তু তখনও একই কথা বলা হয়।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় শহিদুল ইসলাম থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির সামনে একটি বস্তার ভেতরে লাশ দেখতে পান তিনি। পরবর্তীতে তিনি ও তার বোন লাশটি সকিনা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি ও ডিবি থানা পুলিশের যৌথ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার এবং আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে মরিয়ম বেগমের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন পুনরায় বকাবকি করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ঘরে থাকা একটি চাপাতি দিয়ে শাশুড়িকে জবাই করে হত্যা করেন। পরে লাশ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে ফেলে রাখেন এবং হত্যার অস্ত্রটি ঘরের ওয়্যারড্রবের ভেতরে লুকিয়ে রাখেন।

পরে অভিযুক্তের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার ঘর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।

এএন

Link copied!