ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

কলেজ শিক্ষিকাকে বিএনপি নেতার জুতাপেটা 

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী প্রতিনিধি

এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১০:৩৬ এএম

কলেজ শিক্ষিকাকে বিএনপি নেতার জুতাপেটা 

রাজশাহীর দুর্গাপুরে দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ঢুকে এক শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আকবর আলীর বিরুদ্ধে। এ সময় কলেজে ভাঙচুর এবং অন্য শিক্ষককে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও এক নারী শিক্ষকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আকবর আলী উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের দিকে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের কক্ষে গিয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। বিশেষ করে আগের অধ্যক্ষের সময়কার কলেজের আয়-ব্যয়ের হিসাব দাবি করেন তারা। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরাকে মারধর করা হয়। পরে একই গ্রুপ অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও কয়েকজন শিক্ষকের ওপর হামলা চালায় এবং অফিস কক্ষে ভাঙচুর করে।

হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক, প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা, অধ্যাপক রেজাউল করিম আলমসহ আরও দুই কর্মচারী। তাদের কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রভাষক আলেয়া খাতুন হীরা অভিযোগ করে বলেন, তারা বিভিন্ন সময় কলেজে এসে আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইতেন, কিন্তু মূল উদ্দেশ্য ছিল চাঁদা আদায়। অধ্যক্ষের পাশে থেকে প্রতিবাদ করায় আমিও হামলার শিকার হয়েছি।

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আকবর আলী দাবি করেন, কলেজের আগের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির হিসাব চাইতে গেলে উল্টো তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। তার অভিযোগ, শিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরা প্রথমে আমাদের ওপর হামলা করেন, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চার মাস আগে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিএনপির বিভিন্ন গ্রুপ তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। তিনি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করায় এ বিরোধের সৃষ্টি হয়।

দুর্গাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কায় পুলিশ আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল এবং উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করে। তবে কিছু লোক জোরপূর্বক প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এম জি

Link copied!