ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মতলবে মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার আতঙ্ক, কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে হাসপাতালে যুবক

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম

মতলবে মেঘনা পাড়ে রাসেল ভাইপার আতঙ্ক, কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে হাসপাতালে যুবক

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলে আবারও বিষধর রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার এখলাসপুর ইউনিয়নে কারেন্ট জালে আটকা পড়া একটি রাসেল ভাইপার উদ্ধার করতে গিয়ে কামড় খেয়েছেন সোহেল প্রধান (৩১) নামে এক যুবক।

অবাক করার বিষয় হলো, কামড় খাওয়ার পর সাপটিকে ধরে প্লাস্টিকের বৈয়মে ভরে বাড়িতে রেখে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান।

আহত সোহেল প্রধান স্থানীয় এখলাছপুর গ্রামের সেলিম প্রধানের ছেলে। তিনি জানান, সকালে মেঘনা নদীর পাড়ে নতুন বাড়িতে যাওয়ার সময় কারেন্ট জালে একটি বড় আকৃতির রাসেল ভাইপার সাপ আটকা পড়ে থাকতে দেখেন। সাপটি জাল থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলে হঠাৎ সেটি তাঁর হাতে কামড় দেয়। 

তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সাহস হারাননি; বরং সাপটিকে ধরে বাড়িতে নিয়ে প্লাস্টিকের বৈয়মে বন্দি করেন। এরপর দ্রুত চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক বছর ধরে মেঘনা নদীর পাড় ও চরাঞ্চলের বোরচর, চরকাশিম, বাহেরচর ও এখলাসপুর এলাকায় রাসেল ভাইপারের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত বছরও এই এলাকায় বেশ কিছু সাপ পিটিয়ে মারা হয়েছিল। বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় সাপের প্রকোপ আরও বাড়ার আশঙ্কায় কৃষিজীবী ও জেলেরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এলাকাবাসী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এখলাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী বলেন, বর্ষার সময় নদী তীরবর্তী এলাকায় সাপের ভয় থাকে। কাউকে সাপে কামড় দিলে ঝাড়ফুঁক না করে সরাসরি হাসপাতালে যেতে হবে। প্রয়োজনে আমরা যাতায়াতের ব্যবস্থা করব।

এদিকে, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান আশ্বস্ত করে বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম রয়েছে। বর্তমানে আমাদের কাছে প্রায় ২০০টি ভ্যাকসিন মজুত আছে। রোগীদের বিনামূল্যে এই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!