ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

গোয়ালন্দে একই পরিবারে চারজন প্রতিবন্ধী, জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

মে ১, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

গোয়ালন্দে একই পরিবারে চারজন প্রতিবন্ধী, জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর মৈজদ্দিন মন্ডল পাড়া গ্রামে এক হৃদয়বিদারক চিত্র সামনে এসেছে। গ্রামটির একটি পরিবারে চারজন সদস্যই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। বর্তমানে তারা একটি জরাজীর্ণ ঘরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পরিবারটির সদস্যরা হলেন- উপজেলার উজানচর ৩ নং ওয়ার্ড মৈজদ্দিন মন্ডল পাড়ার বাসিন্দা মো. আকবর মোল্লার বড় ছেলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মো. আতিয়ার মোল্লা (৪২), তার স্ত্রী মোছা. রহিমা বিবি (৩৯) এবং তাদের দুই সন্তান আশা আক্তার (২০) ও মো. বাদল মোল্লা (১৬)।

সরেজমিনে শুক্রবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারটির থাকার ঘরটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ। ফুটো টিনের চাল দিয়ে বৃষ্টির পানি ভেতরে পড়ছে, ফলে ঘরের অধিকাংশ স্থানে পানি জমে আছে। ঘরে আসবাবপত্র বলতে কেবল একটি কাঠের চৌকি, যেখানে এই চারজনকেই গাদাগাদি করে থাকতে হয়। আতিয়ার মোল্লা কিংবা পরিবারের বাকি তিনজনের কেউই অধিকাংশ কথা বুঝতে পারেন না বা সঠিক জবাব দিতে পারেন না।

আতিয়ারের পিতা আকবর মোল্লা জানান, আতিয়ার ছোটবেলা থেকেই কানে কম শুনতেন এবং তার বুদ্ধিও কম ছিল। তিনি ভেবেছিলেন বিয়ে দিলে আতিয়ার হয়তো সুস্থ হয়ে উঠবেন, কিন্তু তার স্ত্রীও প্রতিবন্ধী হয়ে ঘরে আসেন। পরবর্তীতে তাদের গর্ভে জন্ম নেওয়া দুই সন্তানও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হিসেবে বড় হয়।

প্রতিবেশী রেজাউল করিম ও সহিতন বেগম উল্লেখ করেন, পরিবারের চারজনই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় কেউ তাদের কাজে নিতে চায় না। উপার্জন না থাকায় অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটছে তাদের। প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবার খেয়েই কোনোমতে বেঁচে আছেন তারা।

স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমান জানান, পরিবারের কেউ উপার্জন করতে পারে না। তিনি নিজে মাঝে মধ্যে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন। বৃষ্টির দিনে জরাজীর্ণ ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় তিনি জরুরি ভিত্তিতে ঘর মেরামত এবং সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় পরিবারটিকে আনার দাবি জানান। তিনি উপজেলা প্রশাসনসহ বিত্তবানদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস বলেন, পরিবারটির সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানো হবে। প্রাথমিকভাবে জরাজীর্ণ ঘরটি মেরামতের জন্য নতুন টিনের ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসনের পাশাপাশি তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও এই অসহায় পরিবারটির প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোর আহ্বান জানান।

জেএইচআর

Link copied!