ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

সোনা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজ

হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

মে ১০, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

সোনা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজ

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় সোনা পাচারকারীর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সোনার বার আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে হাকিমপুর ও বিরামপুর থানার দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাকিমপুর ও বিরামপুর উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই সদস্য হলেন বিরামপুর থানার বেতার বার্তা অপারেটর কনস্টেবল রাশেদুজ্জামান এবং হাকিমপুর (হিলি) থানার কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকালে বিরামপুর উপজেলার কাটলা বাজার এলাকা থেকে বাইসাইকেলযোগে ভারতীয় সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন মো. জামিল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। এ সময় রামচন্দ্রপুর আদিবাসীপল্লির সামনে দুই পুলিশ সদস্য তার দেহ তল্লাশি করেন। একপর্যায়ে জামিলের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ধস্তাধস্তির সময় জামিল কৌশলে তার প্যান্টের পকেটে থাকা পাঁচটি সোনার বার পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে হাতকড়া পরিয়ে আরও দুটি সোনার বার নিজেদের জিম্মায় নেন। কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর জামিল স্থানীয় একটি বাড়িতে গিয়ে পোশাক পরিবর্তন করে পুনরায় পুকুরে নেমে ফেলে দেওয়া পাঁচটি সোনার বার উদ্ধার করে সেখান থেকে চলে যান বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেজ উদ্দিন এবং বিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান। তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিরামপুর থানার এক পুলিশ সদস্য জানান, বিষয়টি জানার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকারের কাছে দুই কনস্টেবল উদ্ধার হওয়া দুটি সোনার বার জমা দেন। তবে এ ঘটনায় কোনো আইনি ব্যবস্থা না নিয়েই ওসি তিন দিনের ছুটিতে যান বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিরামপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হাকিমপুর (হিলি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, বিরামপুরে সোনা নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে আমাদের থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। তবে আমাদের থানার এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, যিনি আগে বিরামপুর থানায় কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তাকে ক্লোজ করা হয়েছে।

হিলি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আ ন ম নিয়ামত উল্লাহ বলেন, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে যার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এম জি

Link copied!