ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

রাজশাহীতে লিচু বাগান পাহারার সময় যুবকের ওপর হামলা ও লুটপাট

রাকিবুল হাসান, রাজশাহী

রাকিবুল হাসান, রাজশাহী

মে ১১, ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

রাজশাহীতে লিচু বাগান পাহারার সময় যুবকের ওপর হামলা ও লুটপাট

রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবক ও তার মায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। লিজ নেওয়া লিচু বাগান পাহারা দেওয়ার সময় মো. মেহেদী হাসান বাপ্পি নামে এক যুবককে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা চালায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী।

এ সময় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হন তার মা নূরজাহান পারভীন। সন্ত্রাসীরা তাদের গুরুতর জখম করে কয়েক লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বাপ্পি তাদের লিচু বাগানে পাহারায় ছিলেন। এসময় পূর্ব শত্রুতার জেরে ৫ ভাইসহ একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাগানে প্রবেশ করে বাপ্পির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত জখম করা হয়। খবর পেয়ে মা নূরজাহান পারভীন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাকেও লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়। হামলাকারীরা বাপ্পির কাছে থাকা ৩ লক্ষ টাকা এবং তার মায়ের গলা থেকে ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

সোমবার দুপুরে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করে, এই হামলাটি দীর্ঘ ১৭ বছর আগে সংঘটিত ‘সুমন হত্যা’ মামলার আসামিদের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে চালানো হয়েছে। 

বাপ্পির নানি কমেলা অভিযোগ করেন, ১৭ বছর আগে সুমনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলেও তারা এখনো বিচার পাননি। আসামিরা জামিনে থেকে ক্রমাগত তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাপ্পিকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে এই নতুন হামলা চালানো হয়েছে।

নূরজাহান পারভীনের দেওয়া লিখিত অভিযোগে হামলাকারী হিসেবে মো. মিঠুন, মো. ইফতিখার, মো. সালাম, মো. খায়রুল ও মো. আনোয়ারুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সুমন হত্যা মামলার ১৮ জন আসামির পরোক্ষ মদদ থাকার কথা বলা হয়েছে।

তবে ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন মত দিয়েছেন চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করা হয়েছে। আমাদের তদন্তে দেখা গেছে প্রকৃত দোষী বাপ্পি নিজেই। যদি মামলা নিতে হয়, তবে বাপ্পির বিরুদ্ধেই নিতে হবে।

হামলার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই শত্রুতা ও বারবার হামলার ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যেও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

জেএইচআর

Link copied!