কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
মে ১২, ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার কোরবানির পশুর হাট মাতাতে প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার গবাদি পশু।
দুই উপজেলার ১২০টি খামারে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা। তবে পশুখাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে লাভের মুখ দেখা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্থানীয় খামারিরা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার দুই উপজেলায় কোরবানির চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে।
এর মধ্যে- কমলনগর উপজেলা: ৩৫টি খামারে লালন-পালন করা হয়েছে ১৩ হাজার পশু, রামগতি উপজেলা: ৮৫টি খামারে প্রস্তুত রয়েছে ১৭ হাজার পশু।
পশু পালনে অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খামারিরা। কমলনগরের খামারি ইব্রাহিম বলেন, খড়, খৈল ও ভুষিসহ সব ধরনের খাদ্যের দাম এখন আকাশচুম্বী। পশু লালন-পালন করতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। হাটে ন্যায্য মূল্য না পাওয়া গেলে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।
একই সুর শোনা গেছে রামগতির আলেকজান্ডার ইউনিয়নের নারী খামারি রত্ন বেগমের কণ্ঠে। তিনি জানান, কর্মচারীর বেতন, চিকিৎসা ও ওষুধের পেছনে প্রচুর খরচ হচ্ছে। এবার ভালো দাম না পেলে খামার চালিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।
কমলনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইসমাইল হোসেন বলেন, আমরা খামারিদের প্রয়োজনীয় সকল পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছি। আশা করছি, পবিত্র ঈদুল আযহায় পশুর পর্যাপ্ত দাম নিশ্চিত হবে এবং খামারিরা লাভবান হবেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হাটে স্থানীয় পশুর সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো গেলে খামারিরা সঠিক মূল্য পাবেন, যা এই অঞ্চলে পশুপালনে আরও আগ্রহ সৃষ্টি করবে।
জেএইচআর