ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

মুজিবনগর প্রধান সড়ক পাথর-বালির দখলে, ঝুঁকিতে যানবাহন ও পথচারী

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মে ১৫, ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম

মুজিবনগর প্রধান সড়ক পাথর-বালির দখলে, ঝুঁকিতে যানবাহন ও পথচারী

মেহেরপুর-মুজিবনগর প্রধান সড়কের চকশ্যামনগর নামক স্থানে খোদ মূল সড়কের ওপরই বালু ও পাথরের স্তূপ করে রাখা হয়েছে। পাশের একটি রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী এভাবে প্রধান সড়কের অর্ধেকটা দখল করে রাখায় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেহেরপুর ও ঐতিহাসিক মুজিবনগরের সংযোগকারী ব্যস্ততম এই প্রধান সড়কের চকশ্যামনগর অংশে রাস্তার প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে পাথর ও বালির স্তূপ করা হয়েছে। স্থানীয় একটি রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজের জন্য এই নির্মাণসামগ্রী আনা হলেও, তা নির্দিষ্ট জায়গায় না রেখে মূল সড়কে ফেলে রাখা হয়েছে। এর ফলে দুই লেনের রাস্তাটি এখন কার্যত এক লেনে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শত শত মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, করিমন-নসিমন, বাস এবং ট্রাক চলাচল করে।

স্থানীয় চালক ও পথচারীরা জানান, রাস্তাটিতে পর্যাপ্ত সড়ক বাতি না থাকায় রাতের বেলা এই বালু ও পাথরের স্তূপ দূর থেকে সহজে চোখে পড়ে না। ফলে রাতের যাতায়াত চরম বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বাতাসে বালি উড়ে চালকদের চোখে ঢুকে সাময়িক অন্ধত্বের সৃষ্টি করছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

নিয়মিত যাতায়াতকারী মোটরসাইকেল আরোহী সানোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাস্তা তৈরির কাজ হচ্ছে ভালো কথা, কিন্তু প্রধান সড়কের অর্ধেকটা বন্ধ করে এভাবে দিনের পর দিন পাথর-বালি রেখে দেওয়া কোন ধরনের নিয়ম? বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর কি সবার হুঁশ ফিরবে?

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আলিম জানান, এস্কেভেটর (মাটি কাটার যন্ত্র) না পাওয়ার কারণে বালি ও পাথর ওখান থেকে সময়মতো সরানো সম্ভব হয়নি। তবে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের উপর থেকে সব সামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হবে।

সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা এড়াতে অনতিবিলম্বে এই বালু-পাথরের স্তূপ রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

জেএইচআর

Link copied!