ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

কোরবানি সামনে রেখে গ্রামমুখী ক্রেতারা, জমে উঠছে আটঘরিয়ার পশুর হাট

আব্দুস সাত্তার মিয়া, আটঘরিয়া (পাবনা) 

আব্দুস সাত্তার মিয়া, আটঘরিয়া (পাবনা) 

মে ১৭, ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম

কোরবানি সামনে রেখে গ্রামমুখী ক্রেতারা, জমে উঠছে আটঘরিয়ার পশুর হাট

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশু ক্রেতারা এখন ছোট ছোট গ্রামীণ খামারের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে পশুর হাটের ভিড় ও ভোগান্তি এড়াতে ব্যস্ত মানুষজন গ্রামাঞ্চলের খামার থেকেই স্বাচ্ছন্দ্যে গরু-ছাগল কিনছেন।

ইতোমধ্যে কোরবানির পশু বেচাকেনা পুরোদমে শুরু হয়েছে এবং আটঘরিয়া ও আশেপাশের পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে।

আটঘরিয়া উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাটগুলো হলো আটঘরিয়া বাজার হাট, একদন্ত পশুর হাট এবং পাশের টেবুনিয়া পশুর হাট। এসব হাটের ইজারাদাররা ক্রেতা আকৃষ্ট করতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে নানা সুবিধার ঘোষণা দিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ব্যাপারীদের থাকা-খাওয়ার সুবিধা এবং হাটের খাজনা কমানোর মতো বিষয়। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে ব্যাপারীরা গরু-ছাগল নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেছেন, বাড়ছে ক্রেতাদের আনাগোনাও।

চাকরিজীবী আফজাল জানান, হাটে গিয়ে পশু কেনা আমাদের জন্য অনেক সময় ঝামেলা ও দুর্ভোগের কারণ হয়। তাই এবার গ্রাম থেকেই কোরবানির পশু কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

গরুর ব্যাপারী গণি জানান, এ বছর ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ এবং চোরাই পথে গরু আসা কমে যাওয়ার কারণে দাম কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে চলতি বছর কোরবানি কার্যত বন্ধ থাকায় কোনোভাবে গরু চোরাই পথে প্রবেশ করলে দেশি গরুর দামে ওঠানামা হতে পারে।

এদিকে, ইতোমধ্যে হাটগুলোতে বিভিন্ন আকারের গরু ও ছাগলের বেচাকেনা শুরু হয়েছে।

ক্ষুদ্র খামারি হাবিব জানান, তার বাড়িতে থাকা তিনটি ষাঁড় গরুর মধ্যে একটি ভালো দামে বিক্রি হয়ে গেছে, বাকি দুটি নিয়ে দামাদামি চলছে।

অন্যদিকে খামারি আবুল জানান, পশুখাদ্যের দাম অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় গরু পালন এখন আর আগের মতো লাভজনক নেই।

বর্তমানে বড় গরুর তুলনায় মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদা বেশি। বাজারে প্রতি মণ গরুর মাংস ২৬ হাজার থেকে ২৮ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজি খাসির মাংস ১,০০০ থেকে ১,২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ঈদের আগ মুহূর্তে এসব দামে পরিবর্তন আসতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

এম জি

Link copied!