ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর 

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর 

মে ১৭, ২০২৬, ০২:০৪ পিএম

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত অবস্থায় চিকিৎসক ডা. মো. নাসির ইসলামের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল ১১টার দিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন জেলার সকল চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, কর্মচারী ও আনসার সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন, সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মিতু আক্তার, শিশু কনসালট্যান্ট ডা. জাহিদুল ইসলাম, অর্থোপেডিক কনসালট্যান্ট ডা. মফিজুর রহমান স্বপন, ডা. আকরাম এলাহী এবং ডা. কাজী মো. ইলিয়াসসহ অনেকে।

ঘটনার পর সলেমান কাজী ওরফে আল-আমিন (৩০), জসিম কাজী (৪০), আব্দুল জলিল কাজী (৩২), রবিউল কাজী (৩২), জায়েদা বেগম (৬০) ও আয়েশা মনিকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ।

এছাড়া এ ঘটনার তদন্তে ডা. মফিজুর রহমান স্বপনকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পৌরসভার উত্তর বিলাসখান এলাকার পঞ্চাশোর্ধ লাল মিয়া কাজী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। পরে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলাম উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রেফার করেন। তবে ঢাকায় নেওয়ার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ তুলে হামলার ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আকরাম এলাহী বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

সিভিল সার্জন ডা. রেহান উদ্দিন বলেন, চিকিৎসক নাসির ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ মামলা করেছে। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ঘটনায় মামলা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এম জি

Link copied!