ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ২১ তরুণ-তরুণী

আশরাফুল আলম, চুয়াডাঙ্গা

আশরাফুল আলম, চুয়াডাঙ্গা

মে ১৭, ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশে চাকরি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ২১ তরুণ-তরুণী

কোনো প্রকার সুপারিশ ও তদবির ছাড়া শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন ২১ জন তরুণ-তরুণী। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। চূড়ান্তভাবে মনোনীত এই প্রার্থীদের চাকরি প্রাপ্তির সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারি ফি বাবদ খরচ হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা।

রোববার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।

সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিজ মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের মতো একটি গর্বিত বাহিনীর সদস্য হতে পেরে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ তরুণ-তরুণীরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে নিয়োগের প্রথম ধাপ শুরু হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে চাকরিপ্রার্থীদের ‘ফিজিক্যাল এন্ডুরেন্স টেস্ট (পিইটি)’, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই, শারীরিক মাপ ও সক্ষমতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে গত ৪ মে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় সর্বমোট ২৩৯ জন চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। ১৭ মে রোববার সকাল ১০টায় সেই লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হলে ৪৩ জন পুরুষ ও ১ জন নারীসহ মোট ৪৪ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

পরবর্তীতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্য থেকে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ২১ জন তরুণ-তরুণীকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও বাংলাদেশ পুলিশে স্বাগত জানান।

উল্লেখ্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্থানীয় ডিস চ্যানেল, সংবাদপত্র, মাইকিং এবং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারক চক্রের হাত থেকে সচেতন থাকার জন্য বারবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সুপারের কড়া তদারকি ও সতর্কবার্তার ফলেই কোনো অনিয়ম ছাড়াই মাত্র ১২০ টাকায় সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা চাকরি পেয়েছেন।

ফলাফল ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মোসফেকুর রহমানসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এএন

Link copied!