ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

চাঁদপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬৬ হাজার পশু, ঘাটতি ৯ হাজার

মো. এমরান হোসেন, চাঁদপুর

মো. এমরান হোসেন, চাঁদপুর

মে ২০, ২০২৬, ১১:৫১ এএম

চাঁদপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬৬ হাজার পশু, ঘাটতি ৯ হাজার

ঈদুল আজহায় চাঁদপুর জেলায় পারিবারিক ও খামারিদের লালন-পালন করা গবাদিপশু দিয়ে কোরবানির চাহিদা মেটানো হয়। এ বছরও জেলায় উৎপাদিত গবাদিপশুর সংখ্যা ৬৬ হাজার ৯৮টি। চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে ৯ হাজার পশু। খামারিরা বলছেন, ভারত থেকে গরু আমদানি না হলে ভালো দাম পাওয়া যাবে। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে জানা গেছে, কোরবানির জন্য জেলায় প্রস্তুত রয়েছে ২৭ হাজার ৩৪৬টি ষাঁড়, ৮ হাজার ৩৬৬টি বলদ, ১০ হাজার ৫৭১টি গাভী, মহিষ ২৩টি, ছাগল ১৯ হাজার ৩৪৬টি এবং ভেড়া ৪৪৬টি।

সরেজমিন ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার ৮ উপজেলায় কোরবানির পশু সরবরাহে ৪ হাজার ১৫৫ জন উদ্যোক্তা রয়েছেন। অনেকেই কয়েক মাস আগে কিছু ষাঁড় সংগ্রহ করে কোরবানিযোগ্য করে তোলেন। বেশিরভাগ খামারি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত খাবার দিয়ে এসব পশু লালন-পালন করেন। ছোট থেকে মাঝারি সাইজের ষাঁড়গুলো স্থানীয় কোরবানির পশুর হাটে বিক্রি হয়। বড় সাইজের ষাঁড় খুবই কম বিক্রি হয়, এসবের ক্ষেত্রে অনলাইন মার্কেট বেশি ব্যবহৃত হয়।

বেশ কয়েকটি খামারে দেখা গেছে, বিক্রয়যোগ্য ষাঁড়গুলোর যত্ন নিচ্ছেন শ্রমিকরা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এসব ষাঁড় কোরবানির পশুর হাটে বিক্রি হবে।

সদর উপজেলার নানুপুর গ্রামের খামারি খালেদ খান বলেন, তিনি গত ২০ বছর ধরে উদ্যোক্তা হিসেবে গবাদিপশু পালন করছেন। রমজানের আগেই ষাঁড় সংগ্রহ করেন এবং কয়েক মাস লালন-পালন করে বিক্রি করেন। কোরবানির হাটের জন্য কয়েকটি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন, দাম ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ভারতীয় ষাঁড় আমদানি না হলে ভালো দাম পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

একই ইউনিয়নের ঘাষিপুর গ্রামের খামারি আহম্মদ আলী বলেন, তিনি দেশীয় খাবার দিয়ে ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন। প্রতিবছর এভাবেই কোরবানিতে বিক্রি করেন। এ বছর তার খামারে বিভিন্ন জাতের ৩২টি গরু রয়েছে, এর মধ্যে ৭টি ষাঁড়।

সদরের মৈশাদি ইউনিয়নের হামানকর্দ্দি গ্রামের নার্গিস বেগম তিনটি বড় ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন। ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী এসব ষাঁড়ের মধ্যে বড়টির নাম ‘রাজা বাবু’, যার দাম চাচ্ছেন ১২ লাখ টাকা। ‘হামানকর্দ্দি কিং’ নামের ৪ বছর বয়সী আরেকটি ষাঁড়ের দাম ১০ লাখ টাকা। সবচেয়ে ছোটটির দাম ৫ লাখ টাকা।

এই খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন মো. মোসলেম। তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ঘাস, খৈল, খড় ও ভুসি খাওয়ানো হয়েছে এসব ষাঁড়ে। তিনি নিজেই এসব পশুর যত্ন নিচ্ছেন।

একই ইউনিয়নের আরেক উদ্যোক্তা তানভীর আহমেদ বলেন, স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় ষাঁড়গুলো কোরবানির উপযোগী করে প্রস্তুত করা হয়েছে। আশা করি বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে।

শহরের নিউ ট্রাক রোডের বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, শহরের মানুষ সাধারণত স্থানীয় খামারিদের কাছ থেকেই ষাঁড় কিনে কোরবানি দিতে পছন্দ করেন। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে তাদের পরিবারও স্থানীয় খামারিদের গরু কিনে কোরবানি দিচ্ছে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জ্যোতির্ময় ভৌমিক বলেন, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ৭৫ হাজার। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী খামারিদের কাছে রয়েছে ৬৬ হাজার। বাকি ৯ হাজার পশু মৌসুমি ব্যবসায়ীরা সরবরাহ করবেন। আশা করি কোনো ধরনের সংকট হবে না।

এএন

Link copied!