ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

পিরোজপুরে শহীদ জিয়ার আগমন দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুর প্রতিনিধি

মে ২১, ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম

পিরোজপুরে শহীদ জিয়ার আগমন দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

পিরোজপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী এবং ১৯৮১ সালের ২১ মে তাঁর ঐতিহাসিক পিরোজপুর আগমন দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার পিরোজপুর জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সম্মানার্থে জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরদিদা খালেদ রবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বাতেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রব্বানী ফিরোজ, পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আকন, জিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাব্বির আহমেদসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, রাজনৈতিক দর্শন এবং পিরোজপুরের উন্নয়ন নিয়ে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পেশ করেন।

তিনি বলেন, যারা অতীতে জনগণের সম্পদ লুটপাট করেছে, যারা সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম-সন্ত্রাস চালিয়েছে, তারা কোনোভাবেই পার পাবে না। তারা নিশ্চিতভাবে আইনের আওতায় আসবে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ এই জেলায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। এই লুটেরা ও সন্ত্রাসীদের চিরতরে বাদ দিয়ে, দেশের আপামর সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের একাত্ম হয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

জেলা পরিষদের কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি ওয়ান-টু-ওয়ান কথা বলে আমার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছি। রাস্তাঘাট নির্মাণ, নির্বাচনি ওয়াদা পূরণ এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমার জনগণ যেন আর কষ্ট না পায়, সেভাবেই কাজ করছি।

পিরোজপুরের অর্থনৈতিক বিপ্লবের স্বপ্ন তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, পিরোজপুরকে এগিয়ে নিতে আমার একটি বড় প্ল্যান রয়েছে। চীন-মৈত্রী সেতুর ডান এবং বাম পাশে সরকারের প্রায় হাজার বিঘা খাস জমি রয়েছে। আমরা যদি সবাই মিলে একটু তৎপর হই, তবে সেখানে একটি বিশাল ইকোনমিক জোন (ইপিজেড) বা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব। ঈদের পর প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আমি পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে এই মহাপরিকল্পনাটি তাঁর কাছে সরাসরি উপস্থাপন করব।

নিজের রাজনৈতিক চেতনা তুলে ধরে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, ৭১-এ আমি সরাসরি হয়তো মুক্তিযুদ্ধ করতে পারিনি, কিন্তু আমার চেতনা ও বিশ্বাস সবসময়ই মুক্তিযুদ্ধের। বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন মূলত দুটি অধিকারের জন্য, এক, কথা বলার অধিকার (বাকস্বাধীনতা), দুই, ভোটের অধিকার। আজ সেই ভোটের অধিকার ও ভাতের অধিকারকে আমাদের সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

তিনি তাঁর ছাত্রজীবনের স্মৃতি হাতড়ে বলেন, ১৯৭৮ সালে তৎকালীন সফল রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সাথে আমার সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছিল, আমি তখন এসএসসি পরীক্ষার্থী। রাজনীতিতে আসার আগে থেকেই কালাম ভাই, নির্মল দা’দের মতো শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে লাল বই পড়তাম, যা আমাদের রাজনীতি ও অর্থনীতি শিখিয়েছে। ২১ মে পিরোজপুরে শহীদ জিয়ার সেই আগমনের দিনটি আজ আমাদের চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং দেশের সার্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকলকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পিরোজপুরের খাস জমিতে ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার এই যুগান্তকারী পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান এবং জেলা পরিষদের প্রশাসকের এই উন্নয়নমুখী উদ্যোগের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

জেএইচআর

Link copied!