ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

কারাগারে অসুস্থ হয়ে সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের মৃত্যু

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৫, ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম

কারাগারে অসুস্থ হয়ে সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের মৃত্যু

তিনটি হত্যা মামলায় সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে বন্দি থাকা সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল লতিফ মারা গেছেন।

সোমবার ভোর ৪টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামার বায়সা গ্রামের মৃত মুনসুর সরদারের ছেলে। আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার দুলাল কর্মকার জানান, আজ ভোররাত ৩টার দিকে কারাগারের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আব্দুল লতিফ। দ্রুত তাঁকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩টা ৩৫ মিনিটে জেল কর্তৃপক্ষ বুকে ব্যথা নিয়ে আব্দুল লতিফকে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টায় তাঁর মৃত্যু হয়।

আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবির সুপারিশে আব্দুল লতিফ জেলা জজ আদালতের পিপি নিযুক্ত হয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক এই পিপির বিরুদ্ধে আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তাঁর ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার এড়াতে তাঁরা খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।

নিহতের মেয়ে শাম্মি জানান, আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকা থেকে পুলিশ তাঁর বাবা আব্দুল লতিফ ও ভাই রাসেলকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করা হবে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!