ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

হাজির ঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে প্রতিদিন দুর্ঘটনা, একটি সেতু বদলে দেবে জীবন

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)

মে ২৫, ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম

হাজির ঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে প্রতিদিন দুর্ঘটনা, একটি সেতু বদলে দেবে জীবন

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভা ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সংযোগস্থল হাজির ঘাট এখন স্থানীয়দের কাছে এক আতঙ্কের নাম। করতোয়া নদীর এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এখনো কোনো স্থায়ী সেতু না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার করতে বাধ্য হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজির ঘাট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ দুই উপজেলার মধ্যে যাতায়াত করেন। এর মধ্যে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগী ও চাকরিজীবীরা রয়েছেন। নৌকাই একমাত্র ভরসা হওয়ায় এ পথটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য ঝড়-বৃষ্টি বা নদীতে স্রোত বৃদ্ধি পেলেই নৌকা চলাচল বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, ডুবোচর এবং অদক্ষ নৌচালনার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। তবুও দীর্ঘদিনেও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছে সেতু নির্মাণের অনুরোধ জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই ঝুঁকি, দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তা নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, হাজির ঘাটে একটি সেতু নির্মিত হলে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যেত। কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করা যেত, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পেত এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতো। বর্তমানে নৌকা নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার করতে হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনার ভয়ে অভিভাবকরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেও দ্বিধা করেন। একইভাবে জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, হাজির ঘাটে একটি সেতু শুধু যোগাযোগ সহজ করবে না, বরং শিক্ষা, চিকিৎসা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট পৌরসভার প্রশাসক ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এম জি

Link copied!