ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

কোরবানির সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সীতাকুণ্ডের কামাররা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মে ২৫, ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

কোরবানির সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সীতাকুণ্ডের কামাররা

‘দক্ষ পিতার যোগ্য সন্তান’ হিসেবে পৈত্রিক পেশা আগলে ধরেছেন তিন ভাই- নয়ন, সুজন ও জীবন। সীতাকুণ্ডের প্রসিদ্ধ কামার বাবুল দাশের মৃত্যুর পর পূর্বপুরুষের এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে সুখের সংসার বুনছেন তাঁরা। বছরের অন্য সময় সাধারণ ব্যস্ততা থাকলেও, পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এখন তাঁদের দম ফেলার ফুসরত নেই। কোরবানির ঈদকে ঘিরে সীতাকুণ্ডের কামারপাড়াগুলোতে এখন দিন-রাত চলছে হাতুড়ি আর লোহার টুংটাং শব্দ।

ঈদের চাঁদের দেখা মিলতেই স্থানীয় কোরবানিদাতারা পশু জবাই ও মাংস কাটার ধারালো সরঞ্জাম প্রস্তুত করতে কামার দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। নয়ন দাশ জানান, প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ জন ক্রেতা তাঁদের দোকানে দা, বটি, ধামা ও ছুরি সানের (ধার দিতে) জন্য আসছেন। চুলায় কয়লার আগুনে লোহা পুড়িয়ে লাল করা, হাতুড়ি পিটিয়ে আকার দেওয়া এবং পানিতে ঠান্ডা করার পর তা সান দেওয়ার কাজে রাত-দিন পার করছেন তাঁরা। বাড়তি আয়ের এই সুযোগ কাজে লাগাতে খাওয়া ও বিশ্রামের সময়টুকুও মিলছে না তাঁদের।

নয়ন দাশ বলেন, কোরবানির ঈদকে ঘিরে এখন পরিবারের সদস্যদের নিশ্বাস ফেলার সময় নেই। মুসলমান ভাইদের সেবা দিতে পেরে আনন্দ লাগে, তবে সবাই একসাথে ভিড় করায় কাজের চাপ অনেক বেড়ে গেছে।

তিনি জানান, তাঁদের কাছে প্রায় ৫০ রকমের মাংস কাটার সরঞ্জাম রয়েছে। ক্রেতাদের পুরোনো সরঞ্জাম ধার দেওয়ার পাশাপাশি নতুন নতুন যন্ত্রপাতির পসরাও সাজিয়ে রেখেছেন তাঁরা। এই ঈদের আয়েই পুরো বছরের ভরণ-পোষণ ও সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করতে হয় তাঁদের।

কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যের দাম ও সানের মূল্য বাড়ানো কিছুটা দুসাধ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, খরচ পুষিয়ে নিতে প্রতিটি নতুন সরঞ্জাম মানভেদে ২০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। আর পুরোনো সরঞ্জাম সান দিতে খরচ পড়ছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। দাম যা-ই হোক, কাজের গুণগত মান ভালো রেখে বাবার সুনাম ধরে রাখাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

এদিকে পশু জবাই ও চামড়া ছাড়ানোর সরঞ্জাম সময়মতো হাতে পেতে উপজেলার প্রতিটি বাজারের কামার দোকানে গ্রাহকদের রীতিমতো সমাবেশ লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে দর-দাম করার চেয়ে যথা সময়ে ধারালো অস্ত্র হাতে পাওয়াকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন ক্রেতারা।

দোকানে আসা সেবাগ্রহীতা মো. শিপন বলেন, বাজারের প্রতিটি কামারের দোকান এখন লোকে-লোকারণ্য। সেবা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। দিনভর অপেক্ষার পর কোরবানি ও মাংস কাটার সরঞ্জাম সান দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!