ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

বরিশালে দিনভর কোরবানির গোশত সংগ্রহ, সন্ধ্যায় বাজারে বিক্রি

বরিশাল ব্যুরো

বরিশাল ব্যুরো

মে ২৯, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম

বরিশালে দিনভর কোরবানির গোশত সংগ্রহ, সন্ধ্যায় বাজারে বিক্রি

কোরবানির ঈদে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরবানির পশু জবাই করে তার এক-তৃতীয়াংশ মাংস দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে থাকেন। সেই মাংস বাসায় বাসায় গিয়ে গ্রহণ করার পর অনেক হতদরিদ্র মানুষ তা নিজেদের কাছে রাখার বদলে বিক্রি করে দিয়েছেন। সাধারণত যারা একসঙ্গে প্রচুর মাংস পান এবং সংরক্ষণ করতে পারেন না, তারা নগরীর পোর্ট রোড বাজারে গিয়ে সেই মাংস বিক্রি করেন। সেখানে তা কিনছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।

বরিশালের এসব দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ দান হিসেবে পাওয়া মাংস অনেক সময় সংরক্ষণ করতে না পেরে বিক্রি করছেন। বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড বাজারে সারিবদ্ধভাবে এই মাংস বিক্রি করতে দেখা যায়। যাদের সামর্থ্য নেই বা বেশি দামে মাংস কিনতে পারেন না, তারা এই মাংস কিনে নিয়ে যান। তবে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দোকানের চেয়ে অনেক বেশি দামে মাংস বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ৮০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে নগরীর পোর্ট রোড এলাকায় গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী কোরবানির গরুর মাংস বিক্রি করছেন।

মাংস ব্যবসায়ী মাহমুদ বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ভিক্ষুকরা কোরবানির গরুর মাংস সংগ্রহ করে আমাদের কাছে বিক্রি করেছে। কেজিপ্রতি তাদের ৮০০ টাকা করে দিয়েছি। আর সেই মাংস ৮৫০ টাকা করে আমরা বিক্রি করেছি।

আরেক ব্যবসায়ী সুলতান মৃধা জানান, ভিক্ষুকদের কাছ থেকে ২৫ কেজির মতো মাংস কিনেছি। এর মধ্যে ১৫ কেজির মতো বিক্রি হয়ে গেছে।

রসুলপুরের ভিক্ষুক জাহানারা খাতুন জানান, নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ৫ কেজির মতো মাংস পেয়েছি। ৭৫০ টাকা করে বিক্রি করেছি। ২ কেজি মাংস রেখে বাকিটা বিক্রি করে দিয়েছি। আমার বাসায় আমি আর আমার স্বামী ছাড়া খাওয়ার কেউ নেই।

কেডিসি বস্তির বাসিন্দা ভিক্ষুক কুলসুম আরা বেগম বলেন, আমি ও আমার মেয়ে সকাল থেকে ঘুরে ৮ থেকে ১০ কেজি মাংস পেয়েছি। কিছু রেখে বাকি সব বিক্রি করে দিয়েছি। কেজিপ্রতি ৭৯০ টাকা করে দিয়েছে আমাকে।

পোর্ট রোডের মাংস ব্যবসায়ী রুবায়েত হোসেন জানান, অনেক বছর ধরে কোরবানির ঈদের দিনে আমরা এসব মাংস ভিক্ষুকদের কাছ থেকে কিনে ব্যবসা করি। রাত হলে এই বাজারে ভিড় বাড়বে। আমি মোটামুটি ৪০ কেজির মতো মাংস কিনেছি। শত শত ভিক্ষুক এখানে গরুর মাংস বিক্রি করে যায়। প্রতিবছরই এখানে এমন ব্যবসা চলে আসছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাংসটুকু তারা আমাদের কাছে বিক্রি করতে আসে।

দিনমজুর খলিল হোসেন বলেন, পশু কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য না থাকায় এই বাজার থেকে বেছে বেছে এক কেজি মাংস কিনেছি। বাসায় গিয়ে স্ত্রীকে বলব রান্না করতে।

খলিলের মতো বহু মানুষ কোরবানির পশুর মাংস কেনার জন্য পোর্ট রোডে ভিড় জমিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, রাত ১০টা পর্যন্ত এই কেনাবেচা চলবে।

এএন

Link copied!