ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

খানজাহান আলী মাজার সংলগ্ন ঠাকুর দিঘির একমাত্র কুমির স্থানান্তর

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

জুন ৩, ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

খানজাহান আলী মাজার সংলগ্ন ঠাকুর দিঘির একমাত্র কুমির স্থানান্তর

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান (র.)-এর মাজার সংলগ্ন ঠাকুর দিঘিতে থাকা একমাত্র নারী কুমিরটি অপসারণ করা হয়েছে। 

বুধবার দুপুরে স্থানীয়দের সহায়তায় বন বিভাগের কুমির বিশেষজ্ঞরা দিঘির পূর্বপারের একটি ছোট পুকুর থেকে এই মাদি কুমিরটিকে ধরে। পরে চোখ, হাত ও পা বেঁধে বন বিভাগের গাড়িতে তোলা হয়। গাড়িতে করে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে কুমিরটিকে উদ্ধারের জন্য সকাল থেকেই বন বিভাগসহ প্রশাসনের লোকজন মাজার এলাকায় অবস্থান করে। বেলা ১১টার দিকে দিঘির পূর্বপাড়ে কুমিরটির দেখা মেলে। পরে তাকে ধরার কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে খাবারের প্রলোভন দিয়ে কুমিরটিকে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর এটিকে দিঘি থেকে তুলে গাড়িতে করে খুলনায় নিয়ে রওনা হয় বন বিভাগ।

এর তিন দিন আগে কুমিরটির আক্রমণে এক শিশুর মৃত্যু হয়। তার আগেও এই কুমিরের আক্রমণের একাধিক ঘটনা রয়েছে। পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রাণীটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এদিকে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

দিঘির পাড়ে থাকা স্থানীয় এক মহিলা বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন, “খানজাহানের আমলে যে কুমির ছিল তারা শান্ত ছিল। কিন্তু এই কুমিরটিকে আমরা অনেক ভয় পাই। দিঘিতে নামতে পারি না এই কুমিরের ভয়ে। অনেক হিংস্র এই কুমিরটি। আগে যে ধলা পাহাড়, কালা পাহাড় ছিল তারা অনেক শান্ত ছিল।”

বাগেরহাটের খাদ্দার এলাকার বাসিন্দা ও মাজারে ঘুরতে আসা আরিফ শেখ বলেন, “এই বাগেরহাট হাজার বছরের প্রাচীন জনপদ। মধ্যযুগে খানজাহান কর্তৃক নির্মিত এই খলিফাতাবাদ বিশ্বের অনেকেই কমবেশি জানে। তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে খানজাহান আলী মাজারের এই দিঘি। এই দিঘির প্রধান আকর্ষণ ছিল কুমির। কিন্তু সেই কুমিরটি আজ ধরে নিয়ে যাওয়া হলো। শুনেছি আগেও কয়েকটি কুমির নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো আর এই মাজারের দিঘিতে ছাড়া হয়নি। এটিকেও আজ নিয়ে যাওয়া হলো। হয়তো এই কুমিরটিও আর বাগেরহাটের এই দিঘিতে ফিরে আসবে না।”

কুমির বিশেষজ্ঞ আজাদ কবির বলেন, “আমরা ভালোভাবে কুমিরটিকে উদ্ধার করতে পেরেছি। প্রায় ৬০০ কেজি ওজনের এই মাদি কুমিরটি। এটিকে এখন খুলনা রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হবে। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কুমিরটিকে কোথায় অবমুক্ত করা হবে।”

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন বলেন, “জননিরাপত্তার স্বার্থে মাজারের দিঘির কুমিরটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রাণীটিকে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে। কুমিরটির বিষয়ে পরবর্তীতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা আলোচনা সাপেক্ষে জানানো হবে।”

এএন

Link copied!