ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

রাজিবপুরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

জুন ১১, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

রাজিবপুরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের সাজাই নতুনগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর পিতা বাদী হয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুনের (৩২) বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাজিবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার ও শিশুটির অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২০ মে বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষক এক শিক্ষার্থীকে ডিম ভাজার জন্য পেঁয়াজ কাটার কথা বলে একটি কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থী চিৎকার করে বের হয়ে আসার চেষ্টা করলে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যালয় ছুটির পর ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি তার মাকে জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন। অভিযোগের পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নিলেও নির্ধারিত বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষক উপস্থিত হননি।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাটি মীমাংসার জন্য অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

ঘটনার ২১ দিন পর থানায় অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে শিক্ষার্থীর পিতা বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসীর একটি অংশ বিষয়টি সমাধানের দায়িত্ব নিয়েছিল। এছাড়া আমাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল। আমরা গরিব মানুষ, তাই ভয়ে এতদিন অভিযোগ করতে পারিনি।

রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত আমার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। যেহেতু এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে, তাই তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজিবপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জেসমিন আক্তারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন নম্বর বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রাজিবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুসা মিয়া জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২৫ (সংশোধিত)-এর ১০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এম জি

Link copied!