ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

সুন্দরবন বিদ্যালয়ের নিয়োগ অনিয়ম, মাউশি ডিজির বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

আশিকুজ্জামান লিমন, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)

আশিকুজ্জামান লিমন, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)

জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম

সুন্দরবন বিদ্যালয়ের নিয়োগ অনিয়ম, মাউশি ডিজির বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নে গড়িমসির অভিযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৯ জুন এ রুল জারি করেন। আদালতের নির্দেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি এবং এ ঘটনায় কেন আদালত অবমাননার (কনটেম্পট) কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক আরিফা এদিব চৌধুরীর নিয়োগে ব্যবহৃত কম্পিউটার সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি যাচাই করতে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর সনদটি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমিতে (নট্রামস), বগুড়ায় পাঠান।

পরে ২০২১ সালের ৫ ডিসেম্বর নট্রামসের উপপরিচালক এক চিঠিতে জানান, রেজিস্টার যাচাই করে দেখা গেছে, সনদটি নেকটার (সাবেক নট্রামস) কর্তৃক ইস্যুকৃত নয় এবং এটি জাল। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ২০২২ সালের ২০ এপ্রিল ওই শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে। একই সঙ্গে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়ে এমপিও থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার জন্য মাউশির মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন।

অভিযোগ রয়েছে, পরে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট ওই শিক্ষককে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর মাউশির মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ষষ্ঠ শ্রেণি পাস সুফিয়ান গাজীকে নবম শ্রেণি উত্তীর্ণ দেখিয়ে জাল সনদের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ, প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি অর্থের অপচয়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় মাহফুজুর রহমান হাইকোর্টে ২০৬১৪/২০২৫ নম্বর রিট আবেদন করেন। পরে ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট মাউশির মহাপরিচালক ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

বাদীর দাবি, আদালতের আদেশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২৬ সালের ৬ মে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়। এরপরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ২১৯/২০২৬ নম্বর আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই হাইকোর্ট মাউশির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন।

মামলার বাদী মাহফুজুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অভিযোগ নিষ্পত্তির কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে।

এ বিষয়ে সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এম জি

Link copied!