ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

মদনে মিড-ডে মিলে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম

মদনে মিড-ডে মিলে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের জন্য সরকারের মিড-ডে মিল প্রকল্পে নিম্নমানের রুটি, কাঁচা কলা ও পচা ডিম সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করেছেন শিক্ষকরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ থেকে মদন উপজেলার ৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১১ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে রোস্টার অনুযায়ী প্রতিদিন রুটি, ডিম, দুধ ও কলা বিতরণ করা হচ্ছে। তবে প্রকল্প শুরুর পর থেকেই খাবারের মান নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠছে। শিক্ষকদের দাবি, এ বিষয়ে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

রোববার (১৯ জুলাই) উপজেলার শাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-২-এ সরেজমিনে গিয়ে নিম্নমানের রুটি ও পচা ডিম সরবরাহের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী পায়েল এবং চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী অজুফা আক্তার ও স্বপ্না আক্তার জানায়, তাদের মাঝে অনেক সময় পচা ডিম, কাঁচা কলা ও মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি বিতরণ করা হয়। এসব খাবার খেয়ে তারা অসুস্থও হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ করে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘সমতা ট্রেডার্স’ এর পরিচালক মাহবুব বলেন, আমরা সরাসরি এসব সরবরাহ করি না, অন্যদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। কোথাও অনিয়ম হয়ে থাকলে তার ভিডিও বা প্রমাণ দিন। অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-২-এর সহকারী শিক্ষক মানিক মিয়া জানান, গত বৃহস্পতিবার তাঁদের বিদ্যালয়ে ৩৫টি পচা ডিম সরবরাহ করা হয়েছিল। সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহীন সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমরা লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। তবে এখনো সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।

এম জি

Link copied!