ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ঈদের আগেই বাড়ছে জাল টাকার আতঙ্ক, করণীয় কী?

শাহিনুর রহমান

শাহিনুর রহমান

মে ১৯, ২০২৬, ১২:২৭ এএম

ঈদের আগেই বাড়ছে জাল টাকার আতঙ্ক, করণীয় কী?

ঈদ মানেই আনন্দ, কেনাকাটা আর নতুন টাকার আমেজ। তবে এই আনন্দের সময়েই বাড়তে শুরু করে জাল নোটের আতঙ্ক। 

নতুন নকশার টাকার সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচিতি কম থাকায় সেই সুযোগ নিচ্ছে জাল নোট চক্র। অনেক ক্ষেত্রেই নতুন ডিজাইনের জাল নোটকে আসল টাকা বলে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে জাল নোট বিক্রি করছে অসাধু চক্র। মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় এক লাখ টাকার জাল নোট দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। 

১০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন মূল্যমানের নোট জাল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাল টাকা তৈরি করছে চক্রগুলো। 

ল্যাপটপ, উচ্চক্ষমতার প্রিন্টার, বিশেষ কালি, নিরাপত্তা সুতা ও গ্রাফিকস প্রযুক্তির মাধ্যমে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যও নকল করা হচ্ছে। এ কাজে প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন লোকজনও জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, ঈদ বা বড় উৎসবের সময় জাল নোট চক্র সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। গ্রেপ্তারের পর অনেকেই জামিনে বের হয়ে আবার একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের মার্কেট, শপিংমল ও ইফতার বাজারে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোটের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। 

ব্যস্ত সময়ে তড়িঘড়ি লেনদেনের কারণে অনেক সময় জাল নোট শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। পরে হিসাব মেলাতে গিয়ে ক্ষতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, উৎসবকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় থাকে জাল নোট চক্র। তারা সাধারণত প্রান্তিক ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের টার্গেট করে বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়। অনলাইনে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন ও হোম ডেলিভারির প্রলোভনও দেখানো হচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, এসব অনলাইন বিজ্ঞাপনের বড় অংশই প্রতারণামূলক।

জাল নোট চিনবেন যেভাবে

নিরাপত্তা সুতা

১০০, ২০০ ও ৫০০ টাকার নোটে বাঁ পাশ দিয়ে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৪ মিলিমিটার এবং ১০০০ টাকার নোটে ৫ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা থাকে। এই সুতায় বিশেষ নকশা ও টাকার মান লেখা থাকে। নোট নাড়ালে রঙের পরিবর্তন ও চকচকে ভাব দেখা যায়, যা নকল নোটে সাধারণত থাকে না।

লুকানো লেখা

১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির নিচে বিশেষ নকশার আড়ালে টাকার মান লেখা থাকে। নোট একটু কাত করলে তা দেখা যায়। ২০০ টাকার নোটে সেখানে ইংরেজিতে “TWO HUNDRED TAKA” লেখা থাকে।

সূক্ষ্ম অক্ষর

আসল নোটে খুব ছোট অক্ষরে “BANGLADESH BANK” ও টাকার মান লেখা থাকে। উন্নতমানের মোবাইল ক্যামেরা বা আতশী কাচে জুম করলে তা পরিষ্কার দেখা যায়। জাল নোটে এই অক্ষরগুলো ঝাপসা বা ভাঙা দেখা যায়।

আসল নোট কিছুটা খসখসে অনুভূত হয়। অন্যদিকে জাল নোট তুলনামূলক মসৃণ হয়ে থাকে। হাতে নিলেই অনেক সময় পার্থক্য বোঝা যায়।

রঙ পরিবর্তন

১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের কোনায় থাকা সংখ্যাগুলোর রঙ নোট নাড়ালে পরিবর্তিত হয়। যেমন সোনালি থেকে সবুজ বা ম্যাজেন্টা থেকে সবুজে রূপ নেয়।
২০০ টাকার নোটে বিশেষ চৌম্বকীয় কালি ব্যবহার করা হয়েছে। নোট কাত করলে উজ্জ্বল আলোর রেখা ও ঝলমলে ভাব দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন নকশার নোট ব্যবহারের সময় সবাইকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। নোটের নিরাপত্তা সুতা, রঙ পরিবর্তন, জলছাপ ও কাগজের গুণগত মান যাচাই করে টাকা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সচেতন থাকুন, টাকা নেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই করুন। একটু সতর্কতাই আপনাকে জাল নোটের প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে পারে।

এম জি

Link copied!