Amar Sangbad
ঢাকা সোমবার, ২০ মে, ২০২৪,

বশেমুরবিপ্রবি

মায়ের কোল ছেড়ে শিক্ষার্থীরা ফিরছে আপন ঠিকানায়

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

এপ্রিল ১৭, ২০২৪, ১২:৫৪ পিএম


মায়ের কোল ছেড়ে শিক্ষার্থীরা ফিরছে আপন ঠিকানায়
বশেমুরবিপ্রবি | ছবি: আমার সংবাদ

রোযা, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এবং বাংলা নববর্ষের ছুটি ছিল দীর্ঘদিন। ছুটি শেষে এবার আপন ঠিকানায় ফিরছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং নিজের ভবিষ্যৎ জীবন গড়ার লক্ষ্যে পুনরায় ব্যতিব্যস্ত হতে শুরু করেছে তারা।

গত ২৯মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বন্ধের সময় চলমান থাকবে ২০এপ্রিল পর্যন্ত। এসময় দীর্ঘ ২২দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল। বন্ধের এসময়টিতে শিক্ষার্থীরা ঈদ-উদ-ফিতর এবং বাংলা নববর্ষের আমেজে মেতে উঠেছিলো। সাথে ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীবের বাসন্তী পূজা এবং বিশ্বকর্মা পূজা।

বন্ধে শিক্ষার্থীরা ছিল মায়ের কোলে সমাদরে। খেয়েছে মায়ের মিষ্টি হাতে রান্না করা রসালো খাবার। উপভোগ করেছে পরিবারের ভালবাসা। আবদ্ধ হতে পেরেছে সামাজিক বন্ধনে। মিশতে পেরেছে নিজ এলাকায় আপনজনের সাথে। তবে কি এখন মায়ের কোল ছেড়ে অন্যকোথাও যেতে ইচ্ছে করে! খেতে মন চায় মেসের মাসি কিংবা খালার হাতে রান্না করা তিক্ত খাবার। যে খাবার খেলে মনে পড়ে ‘কতইনা সুস্বাদু ছিল মায়ের হাতের রান্না!’ কিন্তু এবার তাদেরকে ফিরে যেতে হবে উচ্চশিক্ষা অর্জনে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে’। 

খেতে হবে মেস কিংবা হলের সেই অপ্রিয় খাবারগুলো। টিউশনের তাগিদে ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থী ফিরে গিয়েছে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার অনুভূতি ব্যক্ত করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩সেশনের শিক্ষার্থী শান্ত সাহা বলেন, এতদিন মায়ের কাছে ছিলাম। আমি যা খেতে পছন্দ করতাম মা সেগুলো রান্না করে দিত। সারাদিন ঘুরাফেরা করে সময় কাটিয়ে দিতাম। কিন্তু মায়ের কোল ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছেনা, তবুও যেতে হবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী জুবাইদা রহমান তুলি বলেন, বাড়ি ছেড়ে বাহিরে থাকার অনুভূতিটা এই প্রথম। ছুটির এই সময়টাতে পরিবারের সাথে ছিলাম, তাদের সাথে ঈদ উদ্‌যাপন করেছি। পহেলা বৈশাখে মেলায় ঘুরতে গিয়েছি। সারাদিন অবসরে ছিলাম, খাওয়া আর ঘুম ব্যতীত তেমন কোনো কাজ ছিল না। কিন্তু এখন ফিরে যেতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে। 

বিআরইউ

Link copied!